Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Greece Social Media Ban

ফ্রান্স-স্পেনের পথেই এবার গ্রিস, অনূর্ধ্ব-১৫-দের সমাজমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত

ফেব্রুয়ারিতে গ্রিসের জনমত সমীক্ষা সংস্থা 'এলসিও'র সমীক্ষায় উঠে এসেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দিয়েছেন। গ্রিস সরকার এরই মধ্যে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে এবং টিনএজারদের স্ক্রিন টাইম বা ফোনে কাটানো সময় সীমিত করতে 'প্যারেন্টাল কন্ট্রোল' প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। প্রধানমন্ত্রী মিতসোতাকিস বলেছেন, এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস অন্যতম হবে। তবে আমি নিশ্চিত, আমরাই শেষ দেশ হব না। আমাদের লক্ষ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও এই পথে এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১৭:৩৬

options
link
ফ্রান্স-স্পেনের পথেই এবার গ্রিস, অনূর্ধ্ব-১৫-দের সমাজমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।

অনূর্ধ্ব ১৫ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের জন্য সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গ্রিস (Greece Social Media Ban)। বুধবার প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোতাকিস জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে এই সংক্রান্ত বিধি তৈরি হবে এবং ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হবে। টিকটক, ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতো মঞ্চ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই কড়াকড়ি হবে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, কিশোর-কিশোরীদের ডিজিটাল সুরক্ষা দিতেই এই পদক্ষেপ। ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালের পরে গ্রিসও একই পথে হাঁটল। আমেরিকার সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই সিদ্ধান্তের ফলে।

তরুণদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মিতসোতাকিস বলেছেন, শিশুরা দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে কাটানোর ফলে তাদের মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় না। প্রতিনিয়ত অন্যের সঙ্গে তুলনা ও অনলাইন মন্তব্যের কারণে শিশুরা এক ধরনের মানসিক চাপের মুখে পড়ছে। গ্রিক প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি অনেক মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, সন্তানরা ঠিকমতো ঘুমাচ্ছে না, খুব সহজেই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে ও ফোনের পেছনে দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছে।

Advertisement

ফেব্রুয়ারিতে গ্রিসের জনমত সমীক্ষা সংস্থা ‘এলসিও’র সমীক্ষায় উঠে এসেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দিয়েছেন। গ্রিস সরকার এরই মধ্যে স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে এবং টিনএজারদের স্ক্রিন টাইম বা ফোনে কাটানো সময় সীমিত করতে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। প্রধানমন্ত্রী মিতসোতাকিস বলেছেন, এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস অন্যতম হবে। তবে আমি নিশ্চিত, আমরাই শেষ দেশ হব না। আমাদের লক্ষ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও এই পথে এগিয়ে নিতে উৎসাহিত করা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.