BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ৫ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশ ভারতীয়ই করোনায় আক্রান্ত হবেন, ছড়াবে গোষ্ঠী সংক্রমণ, দাবি গবেষকের

Published by: Sulaya Singha |    Posted: May 30, 2020 5:00 pm|    Updated: May 30, 2020 5:00 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এখনও সংক্রমণের শিখরে পৌঁছায়নি ভারত। লকডাউনের চতুর্থ দফা শেষ হলে জুনের গোড়া থেকে করোনা নিজের আরও ভয়ংকর রূপ দেখাবে। আশঙ্কা গোষ্ঠী সংক্রমণেরও (community transmission)। দেখতে দেখতে অর্ধেক ভারতকে গ্রাস করবে এই মারণ ভাইরাস। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, ৯০ শতাংশ মানুষ বুঝতেও পারবেন না যে তাঁরা করোনায় আক্রান্ত! এমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেল্থ অ্যান্ড নিউরো সায়েন্সের (NIMHANS) নিউরোবিরোলজির প্রধান তথা কর্ণাটক হেল্থ টাস্ক ফোর্সের নোডাল আধিকারিক ভি রবি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তুলে ধরা তথ্য থেকে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে, দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। চতুর্থ দফায় লকডাউন শিথিল হওয়ার পর গ্রাফটা দ্রুত উপরের দিকে উঠছে। এমন পরিস্থিতিতে ১ জুন থেকে লকডাউন আরও শিথিল করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। ইতিমধ্যেই আবার আরেক ধাপ এগিয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে রাজ্যগুলি। সে তালিকায় রয়েছে বাংলাও। ১ জুন থেকে এ রাজ্যে অনেকটাই শিথিল হচ্ছে লকডাউন। নিয়মবিধি মেনেই রাজ্যকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানোর চেষ্টা চলবে। আর এতেই লুকিয়ে সংক্রমণের বীজ। যা ভয়ংকর আকার ধারণ করতে একেবারেই বেশি সময় নেবে না। এমনটাই মত ভি রবির।

[আরও পড়ুন: আমফান কবলিত এলাকায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা, উদ্ধারকর্মীদের ফেস শিল্ড দিল ‘শের’]

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “দেশ এখনও সংক্রমণের তীব্রতা টের পায়নি। জুনের পর থেকে হু হু করে বাড়বে সংখ্যাটা। শুরু হবে গোষ্ঠী সংক্রমণও।” এখানেই শেষ নয়, তাঁর দাবি, মধ্য ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ৫০ শতাংশ নাগরিক করোনার কবলে পড়বে। কিন্তু উপসর্গ না থাকায় শতাংশ মানুষ বুঝতেই পারবে না যে তাদের শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ভাইরাস। তবে এক্ষেত্রে মাত্র ৫ শতাংশ রোগীকেই হয়তো ভেন্টিলেশনে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে মৃত্যুর হার কোথায় গিয়ে ঠেকবে? রবির মতে, মৃত্যুর হার তুলনামূলক কমই থাকবে। ৩ থেকে ৪ শতাংশ। তবে গুজরাটে এর হার ৬ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তিনি প্রতিটি রাজ্যকেই তৈরি থাকতে অনুরোধ জানাচ্ছেন। সুনিশ্চিত করতে বলছেন, চিকিৎসা পরিকাঠামো। সংক্রমণ চিহ্নিত করার জন্য প্রয়োজন আরও বেশি পরিমাণে টেস্টিং। তার জন্য ল্যাবের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। সেই প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখে কর্ণাটকে ১৫টি নতুন ল্যাব তৈরির পরিকল্পনা করছেন রবি। বলছেন, “ইবোলা বা মার্সের মতো ততটা ভয়ংকর নয় করোনা। একে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে হবে। তবে সংক্রমণ রুখতে সতর্ক থাকা জরুরি। সচেতনতাই আমাদের রক্ষাকবচ।”

[আরও পড়ুন: ফুসফুস ক্যানসারের চিকিৎসায় নয়া দিশা, আশার আলো দেখালেন বঙ্গতনয়া]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement