২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

করোনার ‘যম’ ইলিশের তেল! নয়া গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 18, 2020 12:29 pm|    Updated: September 18, 2020 12:56 pm

An Images

অভিরূপ দাস: রুপোলি শস্য ভোঁতা করে দিচ্ছে লাল প্রোটিন স্পাইকের কাঁটা। করোনা ভাইরাস (Corona Virus) যদি আক্রমণ করেও, অল্পের উপর দিয়েই যাবে। আইসিইউ-তে ঠাঁই নিতে হবে না। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক এক সায়েন্স জার্নালে উঠে এসছে এমনই তথ্য। যেখানে দেখা গিয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড করোনা রোগীর আইসিইউ নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসাবে বিভিন্ন সংস্থার ওমেগা-৩ বাজারে পাওয়া যায়। তবে গবেষকদের মতে, সেই ফুড সাপ্লিমেন্টের থেকে বেশি কার্যকর সরাসরি এমন খাবার খাওয়া যার মধ্যে ওমেগা-৩ রয়েছে। যার মধ্যে প্রথম স্থানেই ইলিশ (Hilsha)। এছাড়া স্যামন, টুনা, সার্ডিন মাছেও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। তবে সামান্য পরিমাণে। ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করছে। একই এলাকার দু’জনের শরীরে আঘাত হেনেছে সার্সকোভ-২। একজনের ঠাঁই আইসিইউ-তে হলেও অন্যজন দিব্যি হোম কোয়ারেন্টাইনে। দেখা গিয়েছে, শরীরে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ যথেষ্ট থাকলে ভাইরাস অতটাও কাবু করতে পারছে না রোগীদের।

[আরও পড়ুন : গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দাদের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি! নয়া সমীক্ষায় দাবি চিকিৎসকদের]

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের মধ্যে আইকোসাপেনটানয়েক অ্যাসিড বা ইপিএ এবং ডকোসাহেস্কানয়েক অ্যাসিড বা ডিএইচএ-ই আসল কাজটা করছে। একটা ১ কেজির ইলিশ মাছে প্রায় ১১.৮৩ শতাংশ ইপিএ ডিএইচএ থাকে। শরীরে প্রবেশ করে এনজাইমের সঙ্গে মিশে এই ইপিএ এবং ডিএইচএ অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি দু’টি উপাদান সৃষ্টি করে। একটি হল আইকোস্যানয়েডস অন্যগুলি হল কিছু লিপিড ম্যাডিয়েটর। যেমন রিসলভিনস, মারেসিনস। এইগুলোই শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গত ৪৫ দিনে রাজ্যে আইসিইউ শয্যাসংখ্যা ২৫০টি বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু তবু তা চোখে দেখা যাচ্ছে না। কারণ, গত ৪৫ দিনে এমন রোগীই বেশি যাঁদের করোনা (COVID-19) সংক্রমণে শ্বাসকষ্ট এতটাই যে আইসিইউ-এর বাইরে রাখা যাচ্ছে না। অধিকাংশ রোগীকেই আইসিইউ শয্যায় অক্সিজেন নির্ভর সাপোর্টে রাখতে হচ্ছে।

[আরও পড়ুন : হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হলেও নেই মুক্তি, প্রতি ঋতুতেই আসবে করোনা, দাবি গবেষণায়]

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান নিয়ে সন্দেহ নেই ডা. সমীরণ পান্ডার। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চের এপিডেমিওলজি এবং কমিউনিকেবল ডিজিজের প্রধান জানিয়েছেন, হার্টের জন্য ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড অত্যন্ত উপকারী। হৃদযন্ত্র বিকল হওয়া অনেকটাই আটকায় এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। তবে করোনা রোগীদের আইসিইউ নির্ভরতা বিষয়ে এখনও এর কোনও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়নি। তাঁর কথায় বিষয়টিতে যুক্তি রয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement