২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

করোনার প্রভাবে বাজার থেকে উধাও হচ্ছে প্যারাসিটামল! চিন্তায় গোটা বিশ্ব

Published by: Bishakha Pal |    Posted: March 6, 2020 6:33 pm|    Updated: March 12, 2020 1:05 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার প্রভাব এবার ওষুধের বাজারেও। ভারতে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। ইতিমধ্যেই ৩১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এমন পরিস্থিতিতে দেশে যাতে ওষুধের ঘাটতি না হয় তাই প্যারাসিটামল-সহ প্রায় ২৬টি ওষুধ রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। আর এর ফলে আতঙ্কে ভুগছে গোটা বিশ্ব। কারণ প্যারাসিটামলের মতো ব্যথা উপশমকারী ওষুধ সবচেয়ে বেশি প্রস্তুত হয় ভারতে। এখন ভারত যদি হাত গুটিয়ে নেয় তবে চাহিদার তুলনায় জোগান হবে যৎসামান্য।

যদিও এক্ষেত্রে ভারতকে একা দায়ী করা অর্থহীন। যদিও মেডিসিন ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগটাই ভারতের দখলে, তবু এর পিছনে চিনের একটি বড়সড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ, গোটা বিশ্বের সবথেকে বেশি জেনেরিক ড্রাগ প্রস্তুত হয় ভারতে। এখান থেকেই গোটা বিশ্বে রপ্তানি হয় ওষুধ। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক, ভিটামিন, স্টেরয়েড, ব্যথার ওষুধ ইত্যাদি। তবে ওষুধ তৈরির রাসায়নিক উপকরণের বেশিরভাগটাই আসে চিন থেকে। বলা ভাল, ওষুধ তৈরির প্রায় ৭০ শতাংশ কাঁচামালের জোগান দেয় চিন। কিন্তু চিন যবে থেকে করোনার কবলে, তবে থেকে ভারতে ওষুধের রাসায়নিক উপাদান আর আসছে না। করোনা যাতে কোনওভাবে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্যই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করে চিন। সেই কারণে ভারতেও প্রস্তুত হচ্ছে না জেনেরিক ড্রাগ। তার উপর ভারতেও এখন করোনার প্রভাব পড়েছে। ফলে দেশের নাগরিকের জন্য ওষুধ মজুত রাখছে ভারত সরকার। ফলে প্যারাসিটামল-সহ ২৬টি ওষুধের উপাদান ও ওষুধের রপ্তানি বন্ধ করেছে কেন্দ্র।

[ আরও পড়ুন: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর, দীর্ঘ সফরকালে সঙ্গে রাখুন ‘পোর্টেবল ইনসুলিন কুলার’ ]

এদিকে প্যারাসিটামল গোটা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ওষুধ। যে কোনও ব্যথা উপশমে প্রথমে এই ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। সেই ওষুধের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় বিশ্বজোড়া এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে চিকিৎসকমহল। চিনের মার্কেট রিসার্চ গ্রুপ বিশেষজ্ঞ শন রেইন জানিয়েছেন, ভারত ও চিন যদি ওষুধ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় তবে গোটা বিশ্বে ওষুধ জোগানের উপর বড়সড় প্রভাব পড়বে। অক্সফোর্ডের অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ স্টিফেন ফোরম্যান জানিয়েছেন, এর প্রভাব ইতিমধ্যে বাজারে পড়তে শুরু করেছে। চড়চড় করে বাড়ছে ওষুধের দাম। যদি এমন পরিস্থিতি আরও কয়েক মাস চলে তবে ওষুধ সংকটে ভুগবে গোটা বিশ্ব। শুধু কি তাই? করোনা ভাইরাস সমূলে বিনষ্ট না হওয়া পর্যন্ত চিনও রাসায়নিক উপাদান পাঠাতে পারবে না। ফলে ভারতেও তৈরি হতে পরে ওষুধের সংকট।

[ আরও পড়ুন: করোনা থেকে বাঁচতে এই খাবারগুলি পাতে রাখতে ভুলবেন না, রইল টিপস ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement