Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Chest Pain

গ্যাস নাকি অ্যাংজাইটি? সামান্য ভুলে হতে পারে বড় বিপদ, তফাৎ বুঝবেন কীভাবে?

অনেক ক্ষেত্রে যা সাধারণ গ্যাস বলে মনে হচ্ছে, তা আদতে ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’ বা তীব্র উদ্বেগজনিত সমস্যা হতে পারে। না বুঝে ভুল ওষুধ খেলে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১০:৩৮

options
link
গ্যাস নাকি অ্যাংজাইটি? সামান্য ভুলে হতে পারে বড় বিপদ, তফাৎ বুঝবেন কীভাবে? zoom
গ্যাস নাকি অ্যাংজাইটি? বিভ্রান্তি কোথায়?

পেট গুড়গুড় করলেই আমরা ধরে নিই গ্যাস হয়েছে। বুক ধড়ফড় করলে জোটে অ্যান্টাসিড। কিন্তু সব সময় কি সমস্যাটা  পেটের? চিকিৎসকেরা বলছেন, একেবারেই নয়। অনেক ক্ষেত্রে যা সাধারণ গ্যাস বলে মনে হচ্ছে, তা আদতে ‘অ্যাংজাইটি অ্যাটাক’ বা তীব্র উদ্বেগজনিত সমস্যা হতে পারে। না বুঝে ভুল ওষুধ খেলে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

লক্ষণ দেখে চিনবেন কীভাবে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্যাস বা বদহজমের সমস্যা মূলত খাওয়ার সঙ্গে যুক্ত। পেট ফোলা ভাব, বার বার ঢেকুর ওঠা, পেটে টান ধরা বা ক্র্যাম্পিং— এগুলি গ্যাসের অতি পরিচিত লক্ষণ। সাধারণত অ্যান্টাসিড বা ঘরোয়া টোটকাতেই এতে আরাম মেলে।

Advertisement
CHEST-PAIN
ফাইল ছবি

অন্য দিকে, অ্যাংজাইটি বা উদ্বেগের সঙ্গে পেটের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। মানসিক চাপ বা হঠাৎ কোনও ভয়ের কারণে এটি হতে পারে। বুক ধড়ফড় করা, প্রবল ঘাম হওয়া, হাত-পা কাঁপা এবং মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক সময় রোগী মনে করেন তাঁর হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে। একে ডাক্তারি পরিভাষায় ‘প্যানিক ডিসঅর্ডার’ বলা হয়।

বিভ্রান্তি কোথায়?
গ্যাস এবং অ্যাংজাইটির মধ্যে লক্ষণগত কিছু মিল রয়েছে। গ্যাস জমলে বুকের মাঝখানে যে চাপ অনুভূত হয়, অ্যাংজাইটির সময়ও ঠিক একই রকম ভার অনুভব হতে পারে। আবার পেট ফুলে থাকলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, যা অ্যাংজাইটির ‘শর্টনেস অফ ব্রেথ’-এর মতো মনে হতে পারে। এই আকস্মিকতাই সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

chest pain
ফাইল ছবি

কখন সাবধান হতে হবে?
১.
যদি বুকের ব্যথা ১৫-২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়।
২. ব্যথা যদি চোয়াল বা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে।
৩. বমি ভাব বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে।

এই ধরনের উপসর্গ হার্ট অ্যাটাকের সংকেতও হতে পারে। তাই অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। গ্যাস ভেবে অ্যাংজাইটি বা হার্টের সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়া প্রাণঘাতী হতে পারে। মনে রাখবেন, সব অস্বস্তি গ্যাস নয়, আর সব ভয় সাধারণ উদ্বেগ নয়। সঠিক সময়ে সঠিক রোগ নির্ণয়ই সুস্থ থাকার একমাত্র পথ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.