BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নিউ নর্মালে ভারতবাসীর ঘুম কমছে, বাড়ছে রাত জাগার প্রবণতা, দাবি সমীক্ষায়

Published by: Suparna Majumder |    Posted: September 2, 2020 10:42 am|    Updated: September 2, 2020 10:42 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: ঝিকিমিকি তারার আকাশে চাঁদও ঘুম ঘুম। চোখে ঘুম নেই শুধু ভারতবাসীর। সর্বভারতীয় একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই তথ্য।  যাতে দাবি করা হয়েছে, শতকরা ৪৪ শতাংশ ভারতীয় নাগরিক ‘লেট নাইট’-এ অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন বিগত কয়েকমাসে। লকডাউন কি তাহলে শেষমেশ আলসেমির ঘুমেও থাবা বসাল?

বিলক্ষণ, বলছে GOQii-এর সমীক্ষা। ‘হেলথকেয়ার প্ল্যাটফর্মটি’-র সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, নিউ নর্মালে সময় মানুষ ঘুমোচ্ছেন কম। বাড়ছে রাত জাগার প্রবণতা।

[আরও পড়ুন: আপনার নাগালের মধ্যে তো ‘করোনা রক্ষক’ ও ‘করোনা কবচ’ বিমা? কীভাবে সুবিধা পাবেন?]

কিন্তু কেন?

মনে করা হচ্ছে, এই বিষয়টির সঙ্গে আর্থ সামাজিক কারণ যেমন জড়িয়ে রয়েছে তেমনই শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপও এই প্রবণতার জন্য অনেকটা দায়ী। চিকিৎসকদের একাংশের বক্তব্য, ঘরবন্দি থাকার ফলে ন্যূনতম পরিশ্রমটুকুও হচ্ছে না। ফলে কমছে ঘুমের সময়। আবার সমাজবিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, ঘরে বসে যাওয়ার কারণে পেশাগত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভারতের অধিকাংশ মানুষ। সোজা বাংলায় যাকে বলে, ‘টেনশনে ঘুম আসছে না’। সেটাই ঘটছে এক্ষেত্রে।

এছাড়া আরও একটা কারণ দেরিতে ঘুমোতে যাওয়ার। তা হল, সকালে ওঠার চাপ থাকছে না কোনও পরিবারের। সন্তানের স্কুল বন্ধ, কর্তা বা কর্ত্রীর কর্মস্থলে যাওয়ার তাড়া নেই। ফলে বেলায় উঠলেও সমস্যা হচ্ছে না কারও।

ঘুমের সময় পিছিয়ে যাওয়ায় দেখা যাচ্ছে টেলিভিশনের অধিকাংশ রাতের অনুষ্ঠানের TRP রেটিং অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে। মোবাইলে বিনোদন চর্চা রাতের দিকে সর্বাধিক। 

ভারতের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাঙালি এই ঘুমের একটি ক্যাটেগরিতে অবশ্য এগিয়ে রয়েছে। সমীক্ষায় প্রকাশ, দুপুরে ঘুমানোর প্রবণতা বেড়েছে বাঙালির। আবার পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে সর্বভারতীয় ওয়ার্ক ফ্রম হোম কালচারে বাঙালি পিছিয়ে। এই তালিকায় বেঙ্গালুরু সবচেয়ে উপরের জায়গা দখলে রেখেছে। তার পর রয়েছে দিল্লি, মুম্বই-সহ আরও বেশ কয়েকটি শহর।

আর করোনাকালে (CoronaVirus) শতকরা ৪৭ শতাংশ ভারতীয় বাড়িতে শরীরচর্চা করছেন বলেও সমীক্ষায় উঠে এসেছে। রেস্তরাঁ থেকে খাবার আনিয়ে খাচ্ছেন মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ। যা দেখে মনে করা হচ্ছে, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে আপামর ভারতবাসীর মধ্যে। এর মধ্যে মুম্বই অগ্রগণ্য। লকডাউনের আমলেও মর্নিং ওয়াকারের সংখ্যা মুম্বইয়ে এখন সবচেয়ে বেশি। রাস্তায় যাঁরা বেরোতে পারছেন না তাঁরা ছাদে হাঁটাহাঁটি সেরে নিচ্ছেন ভোর ভোর, রোদ ওঠার আগেই।

সব মিলিয়ে সমীক্ষা দেখিয়েছে, তামাম ভারতের ব্যবহারিক আচরণে একাধিক পরিবর্তন এসেছে। তার মন্দগুলো বর্জন করে ভালগুলিকে যদি অভ্যাসে পরিণত করে ফেলা যায়, তাহলে সুস্থ-সবল সমাজ গড়ে উঠবে অচিরেই।

[আরও পড়ুন: চিপসের প্যাকেট কিনলেই মিলবে ২ জিবি পর্যন্ত ফ্রি ইন্টারনেট ডেটা, দুর্দান্ত অফার দিচ্ছে Airtel]                                           

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement