Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
ICMR

আন্দাজে আর অ্যান্টিবায়োটিক নয়, অপব্যবহার রুখতে কড়া আইসিএমআর, চালু ‘এমপিরিকাল প্রোটোকল’

শনিবার রাজ্যে এসে এমনই জানিয়েছেন আইসিএমআরের ডিজি। নিপা ভাইরাস রুখতে রাজ্যের কাজের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল তাঁর মুখে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৩:০৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৩:০৪

options
link
আন্দাজে আর অ্যান্টিবায়োটিক নয়, অপব্যবহার রুখতে কড়া আইসিএমআর, চালু ‘এমপিরিকাল প্রোটোকল’ zoom
অ্যান্টিবায়োটিকের ঘনঘন ব্যবহারে লাগাম পরাতে চাইছে আইসিএমআর।
Advertisement

অসুখ যাই হোক, মেডিক্যাল টেস্টের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত আন্দাজে কোনও অ্যান্টিবায়োটিক নয়। রোগের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে আরও কড়া হচ্ছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল অ্যান্ড রিসার্চ বা আইসিএমআর। শনিবার কলকাতায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন বা NIRBI-র দপ্তরে পদ্মবিভূষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক দিলীপ মহলানবিশের আবক্ষ মূর্তি উদ্বোধনে এসে এমনই জানালেন আইসিএমআরের ডিজি ডা. রাজীব বেহেল। তাঁর কথায়, “অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারে কড়াকড়ি করতে চালু হচ্ছে এমপিরিকাল প্রোটোকল।”

কী এই নয়া বিধি? আইসিএমআরের ডিজি জানিয়েছেন, মহামারীর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স। অর্থাৎ ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে ফেলছে ব্যাকটেরিয়া। অসুস্থ রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দিলেও কাজ করছে না। এর মূল কারণ, অযথা মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন রোগী। প্রেসক্রিপশন ছাড়াই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দিচ্ছেন ওষুধ বিক্রেতারাও। গোটা বিষয়টি নিয়ে তাই আরও কড়াকড়ির পথে হাঁটছে আইসিএমআর। ডা. বেহেল জানিয়েছেন, সাধারণত জ্বর, সর্দি, হাঁচি, কাশি নিয়ে রোগী আসে চিকিৎসকের কাছে। এগুলো মূলত ভাইরাসের সংক্রমণেই হয়। একটা নির্দিষ্ট সময় পর তা নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। তবুও এসব ক্ষেত্রে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে নিচ্ছেন কেউ কেউ। সেটাই বন্ধ করতে হবে। কোনও রোগ হলে ডাক্তারি পরীক্ষার আগে চিকিৎসকের ‘ক্লিনিকাল আই’ বুঝে নেবে রোগীর আদৌ অ্যান্টিবায়োটিক দরকার কি না। তার জন্য প্রয়োজনে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

Advertisement

আইসিএমআরের ডিজি জানিয়েছেন, মহামারীর জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স। অর্থাৎ ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে ফেলছে ব্যাকটেরিয়া। অসুস্থ রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দিলেও কাজ করছে না। এর মূল কারণ, অযথা মুড়ি-মুড়কির মতো অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছেন রোগী। প্রেসক্রিপশন ছাড়াই রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দিচ্ছেন ওষুধ বিক্রেতারাও। গোটা বিষয়টি নিয়ে তাই আরও কড়াকড়ির পথে হাঁটছে আইসিএমআর।

সম্প্রতি নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্য সরকারের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আইসিএমআরের ডিজি। বলেছেন, নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে খুব ভালো কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এদিকে আইসিএমআর সূত্রে খবর, অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে নতুন প্রস্তাবিত গাইডলাইনে সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের সুস্পষ্ট নির্দেশিকা থাকবে। পাশাপাশি, কোন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা করিয়ে ওষুধ পরিবর্তন করতে হবে এবং কতদিন অ্যান্টিবায়োটিক চালানো প্রয়োজন, সে বিষয়েও চিকিৎসকদের জন্য বৈজ্ঞানিক দিশা দেওয়া হবে।

শনিবার কলকাতার অনুষ্ঠানে আইসিএমআর-এর ডিজি ডা. রাজীব বহেল ও রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব এন এস নিগম। ছবি: কৌশিক দত্ত।

শনিবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ব্যাকটিরিয়াল ইনফেকশন দপ্তরে প্রয়াত চিকিৎসক পদ্মবিভূষণ প্রবাদপ্রতিম দিলীপ মহলানবিশের আবক্ষ মূর্তি উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, NIRBI অধিকর্তা ডা. শান্তসবুজ দাস, বিশিষ্ট চিকিৎসক অপূর্ব ঘোষ, আইসিএমআর-এর ডিজি ডা. রাজীব বেহেল। হাজির ছিলেন ডা. দিলীপ পাল, ডা. দেবজিৎ চক্রবর্তী, ডা. অভিজিৎ চৌধুরীও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.