Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Marburg Virus

Marburg Virus: মাঙ্কিপক্সের পর এবার নয়া ত্রাস মারবার্গ, প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ কী?

ইতিমধ্যেই মারবার্গ ভাইরাসের থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২২, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২২, ১৩:৩৮

options
link
Marburg Virus: মাঙ্কিপক্সের পর এবার নয়া ত্রাস মারবার্গ, প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ কী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা, মাঙ্কিপক্সের আতঙ্কে ত্রস্ত প্রায় সকলে। এবার নয়া ত্রাস মারবার্গ ভাইরাস (Marburg Virus)। ইবোলা জাতীয় নয়া এই ভাইরাসের থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন দু’জন। তাঁরা প্রত্যেকেই ঘানার বাসিন্দা। তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। জেনে নেওয়া যাক গোটা বিশ্বে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী মারবার্গ ভাইরাস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

মারবার্গ ভাইরাস কী?
অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাসটি মূলত ইবোলা গোত্রের। এটি মূলত বাদুরের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা মারবার্গ ভাইরাসে সংক্রমিত হতে পারেন। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ২ থেকে ২১ দিনের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

Advertisement

মারবার্গের উপসর্গ

  • অত্যধিক জ্বর
  • প্রচণ্ড মাথা যন্ত্রণা
  • পেশিতে যন্ত্রণা

[আরও পড়ুন: খুন করতেই এসেছিল, প্রথম টার্গেট ছিল এক ধর্মগুরু, জানাল শিনজো আবের হত্যাকারী]

ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় দিন থেকে উপসর্গে কিছু বদল হতে পারে। সেগুলি হল:

  • পেটখারাপ
  • পেটে যন্ত্রণা এবং খিচুনি
  • বমি
  • নাক, মাড়ি এবং যোনি দিয়ে রক্তপাত

পাঁচ দশক আগে আফ্রিকাতে মারবার্গের সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছিল। এরপর কঙ্গো, কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, উগান্ডায় মারবার্গ ভাইরাসের প্রকোপ লক্ষ্য করা যায়। সম্প্রতি ঘানায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, মারবার্গ ভাইরাসের থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন তাঁরা। দু’জনের নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। মৃতদের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদের উপরেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে। তাঁদের শরীরে কোনও লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে কিনা, সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে। চিকিৎসকের মতে, এই ভাইরাসে আক্রান্তদের বাঁচার সম্ভাবনা বেশ কম। ভাইরাসের মারণ ক্ষমতা প্রায় ২৪ থেকে ৮৮ শতাংশ। তাই স্বাভাবিকভাবে মারণশীল ভাইরাস যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

[আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ‘আগে জানলে দ্রৌপদীকে সমর্থন করা যেত’, মমতার পাশে দাঁড়িয়ে দাবি যশবন্তের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.