Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Iron deficiency in children

সন্তান ক্লান্ত, মনোযোগে অভাব, আয়রন ঘাটতি নয় তো? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

মা-বাবাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সন্তানের খাবারের দিকে একটু সচেতন নজর রাখা। ছোট ছোট খাদ্যাভ্যাসই বড় সমস্যাকে দূরে রাখতে পারে। সঠিক সময়ে সচেতন হলে আয়রনের ঘাটতি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব, আর তাতেই নিশ্চিত হবে সন্তানের সুস্থ ও প্রাণবন্ত বেড়ে ওঠা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ২০:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
সন্তান ক্লান্ত, মনোযোগে অভাব, আয়রন ঘাটতি নয় তো? জেনে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ zoom
কেন আয়রন এত জরুরি? ছবি: সংগৃহীত

আপনার সন্তান ঠিকমতো খাচ্ছে, খেলছে, তবুও যেন ওকে সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগছে। এদিকে আবার পড়াশোনাতেও মন বসে না। অনেক সময় এসবের পেছনে বড় কারণ হতে পারে আয়রন ঘাটতি (Iron Deficiency in Children), যা অধিকাংশ অভিভাবকের নজরের আড়ালেই থেকে যায়।

আয়রন শুধু একটি পুষ্টি উপাদান নয়, এটি শিশুর শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার জন্য জরুরি। হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আয়রনের অভাব হলে শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ধীরে ধীরে ব্যাহত হতে শুরু করে।

Advertisement
iron deficiency in children symptoms foods prevention guide
দুর্বলতা আয়রন ঘাটতির একটি লক্ষণ। ছবি: সংগৃহীত

শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে আয়রন ঘাটতি খুবই সাধারণ। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা, খাওয়ায় খুঁতখুঁতে বাচ্চা এবং কিশোরদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। অথচ সচেতনতার অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়টি ধরা পড়ে না।

কী কী লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন?
আয়রনের ঘাটতি শুরুতে খুব স্পষ্টভাবে ধরা না পড়লেও কিছু লক্ষণ চোখে পড়তে পারে-

  • সবসময় ক্লান্ত বা অবসন্ন লাগা
  • মুখে ফ্যাকাশে ভাব
  • খিটখিটে মেজাজ
  • পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব
  • মানসিক বিকাশে সমস্যা

এই অবস্থাকে অবহেলা করলে তা আয়রন-ঘাটতি জনিত অ্যানিমিয়ায় পরিণত হতে পারে, যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

iron deficiency in children symptoms foods prevention guide
সন্তানের খাবারে থাকুক বাড়তি নজর। ছবি: সংগৃহীত

কেন আয়রন এত জরুরি?
শিশুরা যেহেতু দ্রুত বেড়ে ওঠে, তাই তাদের শরীরে নতুন কোষ, পেশি এবং মস্তিষ্ক গঠনের জন্য পর্যাপ্ত আয়রন দরকার। যখন খাবার থেকে পর্যাপ্ত আয়রন পাওয়া যায় না, তখন শরীর তার জমা আয়রন ব্যবহার করতে শুরু করে। একসময় সেই ভাণ্ডারও ফুরিয়ে গেলে সমস্যা দেখা দেয়।

কোন খাবারগুলো রাখবেন সন্তানের প্রতিদিনের ডায়েটে?
খুব সাধারণ কিছু খাবারই সন্তানের আয়রনের চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা নিতে পারে-

  • মাছ ও ডিম
  • ডাল, ছোলা, রাজমা
  • দানাশস্য বা ওটস
  • পালং শাক, ব্রকোলির মতো সবুজ শাকসবজি
  • কিশমিশ, খেজুর, এপ্রিকটের মতো ড্রাই ফ্রুট
iron deficiency in children symptoms foods prevention guide
সন্তানের সুস্থ বিকাশে আয়রনের গুরুত্ব অপরিসীম। ছবি: সংগৃহীত

খাওয়ার সঠিক নিয়মটাই আসল
সন্তান শুধু কী খাচ্ছে তা নয়, কীভাবে খাচ্ছে সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আয়রনযুক্ত খাবারের সঙ্গে ভিটামিন সি (কমলালেবু, টম্যাটো ইত্যাদি) থাকলে আয়রণ শোষণ অনেকটা বেড়ে যায়। আবার দুধ বা দইয়ের মতো ক্যালসিয়াম-সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে আয়রণ-সমৃদ্ধ খাবার না রাখাই ভালো, কারণ ক্যালসিয়াম আয়রন শোষণে বাধা দেয়।

মা-বাবাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সন্তানের খাবারের দিকে একটু সচেতন নজর রাখা। ছোট ছোট খাদ্যাভ্যাসই বড় সমস্যাকে দূরে রাখতে পারে। সঠিক সময়ে সচেতন হলে আয়রনের ঘাটতি খুব সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব, আর তাতেই নিশ্চিত হবে সন্তানের সুস্থ ও প্রাণবন্ত বেড়ে ওঠা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.