কেরলে আবারও মাথাচাড়া দিচ্ছে চিকুনগুনিয়া। এর্নাকুলাম জেলার কিছু এলাকায় সংক্রমণের খোঁজ মিলতেই সতর্ক প্রশাসন। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি, শুরু হয়েছে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং সচেতনতা প্রচার।
কোথায় কত সংক্রমণ
এর্নাকুলামের কুন্নুকারা ও চেঙ্গামানাদ পঞ্চায়েতে সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ৯টি নিশ্চিত এবং ১৯টি সন্দেহজনক সংক্রমণের খবর মিলেছে। কুন্নুকারায় ২৪টির মধ্যে ৬টি নিশ্চিত ও ১৮টি সন্দেহজনক। চেঙ্গামানাদে ৪টি কেসের মধ্যে ৩টি নিশ্চিত ও ১টি সন্দেহজনক।
আরও পড়ুন:

আরও পড়ুন:
উপসর্গ
চিকুনগুনিয়াতে আক্রান্ত হলে হঠাৎ জ্বর, সন্ধিস্থলে তীব্র ব্যথা (বিশেষ করে কনুই, হাঁটু ও গোড়ালি), পেশিতে ব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং কখনও কখনও ত্বকে র্যাশ দেখা দিতে পারে।
কী বলছেন চিকিৎসকরা?
এই ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ ভুলভাবে পেনকিলার খেলে ঝুঁকি বাড়তে পারে। সঠিক সময়ে পরীক্ষা ও চিকিৎসাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সংক্রমণ ঠেকাতে কী করণীয়?
চিকুনগুনিয়া সংক্রমিত ব্যক্তিদের দিনের বেলাতেও মশারির মধ্যে থাকার কথা বলা হয়েছে, যাতে মশার মাধ্যমে রোগ আর না ছড়ায়। পাশাপাশি পর্যাপ্ত জলপান, পুষ্টিকর খাবার ও বিশ্রামের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে সাবধানে থাকবেন?
বাড়ি ও আশপাশে কোথাও জল জমলে তা দ্রুত পরিষ্কার করুন। ফুলের টব, ট্রে, ফেলে দেওয়া টায়ার বা নির্মাণস্থলের জমা জল, এসব জায়গায় মশা জন্মানোর ঝুঁকি বেশি। তাই নিয়মিত নজরদারি জরুরি। প্রতি সপ্তাহে ‘ড্রাই ডে’ পালন করে জমা জল পরিষ্কার করার কথাও বলা হয়েছে।
সংক্রমণ রুখতে কড়া আইন
কেরলের জনস্বাস্থ্য আইন অনুযায়ী, কোনও বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানে মশার প্রজননস্থল পাওয়া গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। প্রশাসনের স্পষ্ট বার্তা, এই সংক্রমণ রুখতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সচেতনতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং দ্রুত চিকিৎসাই প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা