Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬

মশলাদার খাবারে বিপদ মাতৃদুগ্ধেও! সাবধান করলেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই যুগান্তকারী গবেষণা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১, ১৭:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১, ১৭:১৪

options
link
মশলাদার খাবারে বিপদ মাতৃদুগ্ধেও! সাবধান করলেন বিশেষজ্ঞরা zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার : জন্মের দু’তিন পরেই চিল চিৎকার করে কান্না। সদ্যোজাতর এহেন আচরণে মাথায় হাত চিকিৎসকদের। শিশুর পেটের গন্ডগোল খুঁজতে মাথা কুটে মরার অবস্থা। নতুন গবেষণা বলছে, শিশু নয়। মাকে জিজ্ঞেস করুন। শেষ তিনদিন কী কী খেয়েছে। শেষমেশ মা-ই বললেন, মুরগির ঝাল খেয়েছিলেন। চিকিৎসকরা বলছেন, বুকের দুধ (Breast Feeding) থেকে তারই কিছু প্রবেশ করেছে সদ্যোজাতর পেটে। সে বেচারির দুর্বল হজম ক্ষমতা সহ্য করতে পারেনি ঝাল-মশলা। সেটাই কান্নাকাটির কারণ।

গল্প নয়, সত্যি। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই যুগান্তকারী গবেষণা। যেখানে দেখা গিয়েছে, সদ্যোজাতকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় বিশেষ কিছু জিনিস থেকে দূরে থাকতে হবে মা-কেও। এই গবেষকদের একজন শহরের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নিশান্তদেব ঘটক। গবেষণা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে চতুর্দিকে। ‘জার্নাল অফ সার্জিক্যাল স্পেশালিটি অ্যান্ড রুরাল প্র্যাকটিস’-এ এই গবেষণার অন্য দুই লেখক জনস্বাস্থ্য গবেষক শেখ মহম্মদ সেলিম, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুদীপ ভট্টাচার্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রাগ-দুঃখ বা খুশি, কোনও আবেগই অনুভূত হচ্ছে না? এখনই সাবধান না হলে ফল মারাত্মক]

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই তথ্য আগামী দিনে সদ্যোজাতদের চিকিৎসায় নতুন দিক উন্মোচন করবে। এই গবেষণার শুরুর নেপথ্যে ছিল বেশ কয়েকজন শিশু। জন্মের তিন চার দিনের মধ্যেই তাদের চিল চিৎকারে তটস্থ চিকিৎসকরা। শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা করে দেখা যায়, পরিপাকে গন্ডগোল। গ্যাস্ট্রোইন্টেসটাইনাল ট্র্যাকে দেখা গিয়েছে সমস্যা। ওইটুকু বাচ্চা, যে মায়ের দুধ খায় তার হজমে সমস্যা কেন? ভিনরাজ্যে এমন এক শিশুর পাকস্থলী থেকে পাওয়া যায় রসুনের কোয়া। চমকে যান চিকিৎসকরা। ৫ দিনের বাচ্চা রসুন খেয়েছে? শেষটায় জানা যায়, চপ খেয়েছিল ওই শিশুটির মা। তাতেই ছিল রসুন। ডা. নিশান্তদেব ঘটকের কথায়, “আমরাও এমন কিছু বাচ্চা পেয়েছি। জন্মের কিছুদিন পর যারা মারাত্মক কাঁদছিল। মায়েদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, তারাই কিছু মশলাদার খাবার খেয়েছে।” সেই খাবারই স্তনের দুধের মাধ্যমে শিশুর পেটে প্রবেশ করতেই গন্ডগোল।

সরকারি এবং বেসরকারি উভয় স্বাস্থ্যক্ষেত্রই বলছে, ছ’মাস পর্যন্ত শিশুকে মাতৃদুগ্ধ পান করানো অত্যন্ত জরুরি। শিশুকে ভাল রাখতে এই ছ’মাস মাকেও সহজপাচ্য খাবার খেতে বলছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসদের কথায়, মায়ের খাবার স্তনের দুধের মাধ্যমে শিশুর পেটে ঢুকছে। সদ্যোজাতর পেট আচমকাই ফুলে যাচ্ছে। সহজ বাংলায় একে বলে পেট ফাঁপা, চিকিৎসা পরিভাষায় বলে ‘অ্যাবডোমিনাল ব্লকিং’। পরিপাক যন্ত্র বিকশিত না হওয়ায় মশলাদার খাবার শিশু হজম করতে পারে না। অনেকক্ষেত্রে এইসব খাবার থেকে তার অ্যালার্জিজনিত সমস্যাও দেখা দেয়।

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে ঘরে বসে বাড়ছে কোমরের ব্যথা, আড়াই লাখেই নিতম্ব বদল]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.