Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
Prescription Plus

মাঝরাতে খিদেতে আকুল হয়ে ওঠেন? হতে পারে বড় অসুখের লক্ষণ

মাঝরাতে হঠাৎ তেড়েফুঁড়ে খিদে পায়? স্রেফ অনিয়ম মনে করে ব্যাপারটাকে আর অবহেলা করবেন না। গভীর রাতে ফ্রিজ খোলার এই প্রবণতা অত্যন্ত ক্ষতিকর। চিকিৎসাবিজ্ঞান তেমনটাই জানাচ্ছে। মাঝরাতের এই খিদে কেবল শখের খাওয়া নয়। বরং শরীরের গভীরে লুকিয়ে থাকা কোনও বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৯:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৯, ২০২৬, ১৯:১০

options
link
মাঝরাতে খিদেতে আকুল হয়ে ওঠেন? হতে পারে বড় অসুখের লক্ষণ zoom
শরীরের অভ্যন্তরীণ গোলমালের সংকেত হতে পারে এই ‘নাইট হাঙ্গার’। ছবি: সংগৃহীত

মাঝরাতে হঠাৎ তেড়েফুঁড়ে খিদে পায়? স্রেফ অনিয়ম মনে করে ব্যাপারটাকে আর অবহেলা করবেন না। গভীর রাতে ফ্রিজ খোলার এই প্রবণতা অত্যন্ত ক্ষতিকর। চিকিৎসাবিজ্ঞান তেমনটাই জানাচ্ছে। মাঝরাতের এই খিদে কেবল শখের খাওয়া নয়। বরং শরীরের গভীরে লুকিয়ে থাকা কোনও বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে। হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা শরীরের অভ্যন্তরীণ গোলমালের সংকেত হতে পারে এই ‘নাইট হাঙ্গার’।

প্রতীকী ছবি

এন্ডোক্রিনোলজিস্টদের মতে, আমাদের খিদে পাওয়া বা পেট ভরার অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে শরীরের বিশেষ কিছু হরমোন। এর মধ্যে রয়েছে ঘেরলিন, লেপটিন, ইনসুলিন এবং কর্টিসল। ঘেরলিন আমাদের খিদে বাড়ায়। আর লেপটিন মস্তিষ্ককে জানায় যে পেট ভরে গিয়েছে। যখনই আমাদের ঘুমের অভাব ঘটে বা স্ট্রেস বাড়ে, তখনই এই হরমোনগুলোর রিদম বিগড়ে যায়। ফলে রাতে অসময়ে প্রচণ্ড খিদে পায়। চিকিৎসকরা একে ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ বা সার্কাডিয়ান রিদমের বিপর্যয় হিসেবে দেখছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা রাতে দেরি করে খাবার খান, তাদের ক্যালোরি পোড়ানোর ক্ষমতা কমে যায়। এতে ওজন বাড়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে, রাতের খাবার দেরি করে খেলে শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ে। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে পিসিওএস (PCOS), মেনোপজ বা পেরিমেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বিপাক প্রক্রিয়ায়, যা মাঝরাতে খাওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

প্রতীকী ছবি

এ ছাড়া ওবেসিটি, কুশিং সিনড্রোম বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যায় আক্রান্তদের ক্ষেত্রেও এই লক্ষণ দেখা দেয়। স্লিপ অ্যাপনিয়া থাকলে ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয়, যা শরীরের হরমোন ব্যবস্থাকে ওলটপালট করে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, মাঝরাতে খিদের পাশাপাশি যদি রাতের বেলা অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা, সকালে উঠে মাথা যন্ত্রণা বা বুক ধড়ফড় করার মতো উপসর্গ থাকে, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বর্তমানে ওজন কমানোর জন্য ‘জিএলপি-১’ জাতীয় ওষুধের ব্যবহার বাড়ছে। এই ওষুধগুলো মস্তিষ্কের খিদের জানানকে নিয়ন্ত্রণ করে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, এই ওষুধগুলো কোনও প্রসাধনী নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার অংশ হিসেবেই ব্যবহার করা উচিত। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, মাঝরাতের খিদেকে অবহেলা না করে এর মূল কারণ খোঁজা দরকার। এবং এই লক্ষণের সেইমতো চিকিৎসা প্রয়োজন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.