Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Shreyas Iyer

প্লীহায় রক্তক্ষরণ ক্রিকেটার শ্রেয়সের, স্প্লেনিক লেসারেশন কতটা ভয়াবহ? চিকিৎসাই বা কী?

জেনে নিন বিশেষজ্ঞের মত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৭:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০২৫, ১৭:৪৬

options
link
প্লীহায় রক্তক্ষরণ ক্রিকেটার শ্রেয়সের, স্প্লেনিক লেসারেশন কতটা ভয়াবহ? চিকিৎসাই বা কী? zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাঁজরে গুরুতর আঘাত নিয়ে অসুস্থ তারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer)। অ্যালেক্স ক্যারের ক্যাচ ধরতে গিয়ে পাঁজরে আঘাত লাগে তাঁর। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা যায় আঘাতের ফলে প্লীহায় রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছে। এরপর আইসিইউতে ভর্তি হন তিনি। আপাতত তিনি বিপন্মুক্ত। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শ্রেয়সকে অন্তত ৬ থেকে ১২ সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে। এমনকী কোনও রকম শ্রমসাধ্য কাজ করতে পারবেন না তিনি। সামান্য আঘাত লাগলে ফের প্লীহা থেকে রক্তক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই অবস্থাকে চিকিৎসকরা বলছেন, স্প্লেনিক লেসারেশন।

Shreyas Iyer Suffers Splenic Hemorrhage

Advertisement

কী এই স্প্লেনিক লেসারেশন?
প্লীহা বা স্প্লিন মানব শরীরের সূক্ষ্ম অঙ্গগুলির একটি। এটি পেটের বাম দিকে, বিশেষত পাঁজরের বাম পাশে অবস্থিত। এই অঙ্গে কোনও কারণে জোরে আঘাত লাগলে রক্তপাত ঘটতে পারে। প্লীহা রক্তনালীপূর্ণ অঙ্গ হওয়ায়, লেসারেশন ঘটলে অভ্যন্তরীণ গুরুতর রক্তপাত শুরু হয়। দ্রুত চিকিৎসা না শুরু করলে তা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

এই ধরনের আঘাত কতটা গুরুতর?
লেসারেশন থেকে পেটের ভেতরে দ্রুত ও মারাত্মক রক্তপাত হতে পারে। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। আঘাতের মাত্রা অনুযায়ী এর গ্রেডিং করা হয়।

চিকিৎসা কী?
স্প্লেনিক লেসারেশন সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। প্রথম ২৪-৪৮ ঘন্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। চিকিৎসকরা স্ক্যান করে দেখবেন রোগীর শরীরে রক্তপাত হচ্ছে কি না। আঘাতপ্রাপ্ত স্থান নাড়াচাড়া করা যাবে না। রক্তপাত বন্ধ হলে আর কোনও ভয় নেই। কিন্তু তা যদি বন্ধ না হয়, সেক্ষেত্রে ডাক্তাররা রক্তপাতকারী নালীগুলি এম্বোলাইজেশন করে ব্লক করে দেবেন। এরপর রোগীকে এক সপ্তাহ হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। তিন মাস সম্পূর্ণ বিশ্রামে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শমতো সাবধানে থাকতে হবে রোগীকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.