Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Prescription Plus

‘পপকর্ন ব্রেন সিনড্রোমে’ আক্রান্ত তরুণ সমাজ! কী এই রোগ? চিকিৎসাই বা কী?

গবেষকরা বলছেন, এটি এই প্রজন্মের জন্য খুবই ভয়াবহ এক সমস্যা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০২৫, ১৮:১৩

options
link
‘পপকর্ন ব্রেন সিনড্রোমে’ আক্রান্ত তরুণ সমাজ! কী এই রোগ? চিকিৎসাই বা কী? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও কিছুতেই আজকাল আর মন বসে না? শেষ কবে একনাগাড়ে একটা গল্প পড়ে শেষ করেছেন? কিংবা কোনও শখের কাজ মনোযোগ দিয়ে করেছেন? মনে যদ না পড়ে থাকে, তাহলে সাধু সাবধান! বর্তমানে তরুণদের মধ্যে এক নতুন মানসিক সমস্যা বাড়ছে। এর নাম ‘পপকর্ন ব্রেন সিনড্রোম’। অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম কিংবা একটানা ডিজিটাল দুনিয়ায় সময় কাটানোই এই রোগের মূল কারণ।

মনস্তত্ত্ববিদরা এই বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, দ্রুতগতির অনলাইন কনটেন্টের জন্য মস্তিষ্ক অতিরিক্ত উদ্দীপনা বহন করে। ফলে মনোযোগ, গভীর চিন্তা কিংবা অফলাইন জীবন-যাপন থেকে অনেকটাই দূরে সরে আসে মগজ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

What factors are leading to Popcorn Brain Syndrome among Indian teenagers

ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াশিংটনের গবেষক ডেভিড লেভি ২০১১ সালে এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। ‘পপকর্ন ব্রেন’ বলতে এমন একটি অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে মনোযোগের অভাবে মানুষের চিন্তা দ্রুত এক বিষয় থেকে অন্য বিষয়ে লাফিয়ে সরে যেতে দেখা যায়। ঠিক যেন গরম তেলে ফোটা পপকর্নের মতো। ঘন ঘন সোশ্যাল মিডিয়া, গেম এবং ছোট ভিডিওর মধ্যে ঘোরাফেরা করার ফলেই এই সমস্যা তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এই প্রজন্মের জন্য খুবই ভয়াবহ এক সমস্যা।

কী কী কারণে এমনটা হয়?
(১)
দীর্ঘ সময় ডিভাইসে কাটানোর ফলে ডিজিটাল নয় এমন কাজে মন দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।
(২) অতিরিক্ত ইন্টারনেট ঘাঁটলে মস্তিষ্কে ডোপামিন বৃদ্ধি পায়। ফলে সাধারণ দৈনিক কাজগুলি নীরস ও কম আকর্ষণীয় লাগে।
(৩) একই সময়ে একাধিক অ্যাপ বা কাজের মধ্যে ঘোরাফেরা করলে মস্তিষ্কের ওপর চাপ বাড়ে। ফলে যেকোনও বিষয়ে আগ্রহ কমতে থাকে।

আক্রান্ত কারা?
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত কিশোর ও তরুণরা বেশি আক্রান্ত। তবে এখন ৩০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী মানুষের মধ্যেও এটি দেখা যাচ্ছে। এই সমস্যা আপনার জীবনযাত্রার মান, মনোযোগ এবং মানসিক শান্তি নষ্ট করে দেয়।

What factors are leading to Popcorn Brain Syndrome among Indian teenagers

উপসর্গ কী?
(১) খিটখিটে মেজাজ ও উদ্বেগ বৃদ্ধি।

(২) ঘুম কম হওয়া বা অনিদ্রা।

(৩) মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা।

(৪) অফলাইন জীবনকে একঘেয়ে বা নীরস মনে হওয়া।

কী করবেন?
এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে কয়েকটি সহজ উপায় রয়েছে। প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট প্রাণায়াম করুন। অনুলোম-বিলোম কিংবা ভ্রমরি প্রাণায়াম অত্যন্ত উপকারী। এছাড়া একসঙ্গে শুধু একটি কাজে মনোযোগ দেওয়ার অভ্যাস করুন। যোগাভ্যাস স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনুন। বাড়িতে এমন কিছু জায়গা তৈরি করুন, যেখানে ইলেকট্রনিক্স ব্যবহার করা নিষেধ (টেক-ফ্রি জোন)। মাঝে মাঝে সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল ডিটক্স করুন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.