Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
Prescription Plus

এই রোগই বিশ্বজুড়ে অন্ধত্বের অন্যতম কারণ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এর লক্ষণ ও প্রতিকার

সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে নিরাময় সম্ভব। কী এই রোগ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১৪:৩৪

options
link
এই রোগই বিশ্বজুড়ে অন্ধত্বের অন্যতম কারণ, বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন এর লক্ষণ ও প্রতিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চোখ থেকে অনবরত জল পড়ছে? ফোলা লাল ভাব কিংবা চোখে অসম্ভব চুলকানি হলে অনেকেই মনে করেন ‘চোখ উঠেছে’। সাধারণ প্রদাহ ভেবেই আমরা দোকান থেকে ড্রপ কিনে ব্যবহার করি। কিন্তু এই ধরনের সাধারণ সমস্যা ঘটাতে পারে বড়সড় বিপদ। কারণ, চোখের মধ্যে ক্ল্যামিডিয়া ট্র্যাকোমাটিস নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণেও একই লক্ষণ দেখা দেয়। এক্ষেত্রে কনজাংটিভা বা চোখের পাতার ভেতরের স্তর আক্রান্ত হয়। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হল, এর থেকে রোগীর অন্ধত্ব দেখা দিতে পারে। রোগটির নাম ট্র্যাকোমা।

What is Trachoma, what are the symptoms and treatment for this disease

Advertisement

ট্র্যাকোমা এমন একটি রোগ, যা সামান্য ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ দিয়ে শুরু হলেও, এতে নষ্ট হতে পারে আপনার দৃষ্টিশক্তি। সময় থাকতে চিকিৎসা করালে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে অবহেলা করলে চিরতরে হারিয়ে ফেলবেন দৃষ্টিশক্তি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ট্র্যাকোমা কীভাবে ছড়ায়?
সংক্রমিত ব্যক্তির চোখ বা নাক থেকে নিঃসৃত তরল এই রোগ সরাসরি ছড়ায়। এটি মূলত অপরিষ্কার হাত, কাপড়, তোয়ালের মাধ্যমে ছড়ায়। যেসব এলাকায় পর্যাপ্ত স্যানিটেশন বা পানীয় জলের অভাব এবং ঘনবসতিপূর্ণ জীবনযাপন রয়েছে, সেখানেই বেশি দেখা যায়। এই সংক্রমণে চোখের সাদা অংশ এবং চোখের পাতার ভেতরের অংশ ঢেকে রাখা পাতলা পর্দা আক্রান্ত হয়।

রোগের প্রাথমিক লক্ষণ
(১) চোখ লাল হওয়া ও চুলকানি।

(২) চোখ থেকে জল বা পিচুটি বের হওয়া।

(৩) চোখের পাতা ফুলে যাওয়া।

(৪) আলো চোখের উপর পড়লে অস্বস্তি হওয়া।

What is Trachoma, what are the symptoms and treatment for this diseaseঅন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কতটা?
ট্র্যাকোমায় একবার আক্রান্ত হলে সম্ভাবনা থাকে বারবার হওয়ার। বারবার সংক্রমণের ফলে চোখের পাতার ভেতরের পৃষ্ঠে দাগ তৈরি হয়। এই দাগের কারণে একসময় চোখের পাতা ভেতরের দিকে উল্টে যেতে শুরু করে, যাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলে ট্রিকিয়াসিস। চোখের পাতা ভেতরের দিকে উলটে গেলে ক্রমাগত ঘর্ষণে কর্নিয়ায় আঘাত লাগে। এই ঘর্ষণের ফলে কর্নিয়া ধীরে ধীরে ঘোলাটে হয়ে যায়। ফলস্বরূপ আংশিক বা সম্পূর্ণ অন্ধত্ব দেখা দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে এই রোগে অন্ধত্ব তৈরি হয়।

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই রোগ প্রতিরোধের জন্য ‘SAFE’ পদ্ধতির কথা জানিয়েছেন। সার্জারি, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফেস ক্লিনলিনেস ও এনভায়রনমেন্টাল হেলথ ইমপ্রুভমেন্ট প্রক্রিয়ায় এই রোগ নিরাময় সম্ভব। সময়মতো চিকিৎসার মাধ্যমে এই সংক্রমণকে সারিয়ে তোলা সম্ভব। সামান্য সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে ট্র্যাকোমার কারণে হওয়া অন্ধত্বকে সহজেই প্রতিহত করা যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.