Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Soaked raisin

রাতভর ভেজানো কিশমিশেই লুকিয়ে সুস্থতার চাবিকাঠি, কতশত গুণ? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

পায়েস অথবা বাসন্তী পোলাওয়ের স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও কিশমিশে রয়েছে প্রচুর গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই একটি ড্রাই ফ্রুট রোজের ডায়েটে যোগ করে নিলেই কেল্লাফতে!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৫:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৫:৪৫

options
link
রাতভর ভেজানো কিশমিশেই লুকিয়ে সুস্থতার চাবিকাঠি, কতশত গুণ? জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

একের পর এক অনুষ্ঠানবাড়ি, অথচ মনের আনন্দে ভেটকি পাতুরি কিংবা মটন রেজালা খাওয়ার জো নেই! নিত্যসঙ্গী গ্যাস-অম্বল। সামান্য গুরুপাক খেলেই, রাতভর হজমের সমস্যা! সঙ্গে বুক জ্বালাভাব, সারাদিন এনার্জির অভাব তো রয়েছেই! কিন্তু জানেন কি, একগাদা কড়া অ্যান্টিবায়োটিক নয়, অতিসাধারণ এক অভ্যাসই বাঁচাতে পারে এই সব সমস্যার হাত থেকে। প্রয়োজন এমন এক জিনিস, যা প্রায় সকলের রান্নাঘরেই পাওয়া যায়।

কিশমিশ। আজ্ঞে হ্যাঁ, কিশমিশই! পায়েস অথবা বাসন্তী পোলাওয়ের স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও কিশমিশে রয়েছে কতশত গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই একটি ড্রাই ফ্রুট রোজের ডায়েটে যোগ করে নিলেই কেল্লাফতে!

Advertisement

হজম ক্ষমতা বাড়ায়
কিশমিশে রয়েছে ডায়েটরি ফাইবার, যা গুরুপাক খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে আটকায়। ফলে দূরে থাকে গ্যাস-অম্বল-সহ সবরকমের হজম সংক্রান্ত সমস্যা।

এনার্জি থাকে তুঙ্গে
রয়েছে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের মধ্যে প্রাকৃতিক উৎকোচ। ফলে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে কমে। অনেকেই সকালে উঠে কফি খান, এনার্জি পাওয়ার জন্য। সে ইচ্ছেও দমন করে কিশমিশ, আবার সারাদিনের এনার্জিতে ভাটা পড়তেও দেয় না।

অনাক্রম্যতা বাড়ায়
কিশমিশ খেলেই মিলবে ভরপুর ভিটামিন সি আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলে একদিকে যেমন বদহজম থেকে রেহাই মিলবে, অন্যদিকে তেমনই বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। অর্থাৎ চট করে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার মতো সমস্যাও দূরে থাকবে অনেকাংশে।

হাড় মজবুত করে
বয়সের সঙ্গে হাড় দুর্বল হয়। ফলে কোমর ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। কিশমিশে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। সঠিক মাত্রায় কিশমিশ খেলে, তা হাড়কে ভিতর থেকে মজবুত করে তোলে।

Raisins

সুস্থ থাকবে হৃদয়
নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ। অর্থাৎ বুক জ্বালা, ধড়ফড় করার মতো যাবতীয় সমস্যার ওষুধ কেবলমাত্র একমুঠো কিশমিশ!

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতে ঘুমানোর রাগে এক বাটি জলে কয়েকটি কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে জল থেকে তুলে, ফুলে যাওয়া কিশমিশ মুখে দিন। আপনার সারাদিন কাটুক সুস্থতায়, এনার্জিতে ভরপুর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.