Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
Retinopathy

জিমে শরীরচর্চার সময় দৃষ্টিশক্তি হারালেন যুবক, নেপথ্যে কোন বিরল রোগ? জানালেন চিকিৎসক

এমনটা ঘটতে পারে যেকোনও সুস্থ মানুষের সঙ্গেই। জানুন এ রোগের লক্ষণ কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:২৩

options
link
জিমে শরীরচর্চার সময় দৃষ্টিশক্তি হারালেন যুবক, নেপথ্যে কোন বিরল রোগ? জানালেন চিকিৎসক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি একজন ২৭ বছর বয়সী সুস্থ যুবক হঠাৎ করে এক চোখে দৃষ্টিশক্তি হারান। ঘটনাটি ঘটেছিল তার নিয়মিত জিম সেশনের সময়। ভারী ওজন তোলার (ডেডলিফ্ট) জন্য তীব্র চাপ দেওয়ার পরই তিনি ডান চোখে ঝাপসা দেখতে শুরু করেন। সেই মুহূর্তে ছেলেটির বাম চোখ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল। দৃষ্টি চলে যাওয়ার আগে ডান চোখে কোনও ব্যথাও অনুভব করেননি যুবক। ফলে তা আরও বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পৌঁছোয়।Valsalva Retinopathy led to sudden vision loss in a 27-year-old weightlifterপরীক্ষার পর জানা যায়, রোগীর চোখে ‘ডেনস প্রি-রেটিনাল হেমোরেজ’ বা ‘সাবহাইয়ালয়েড রক্তক্ষরণ’ হয়েছে। এই রক্তক্ষরণটি রেটিনার কেন্দ্রীয় অংশ ম্যাকুলার উপরে জমা হয়েছিল। বি-স্ক্যান পরীক্ষা করে চোখে ভিট্রিয়াস হেমোরেজ বা রক্তক্ষরণের উপস্থিতি জানা যায়। চিকিৎসকরা রেটিনাল টিয়ার বা রেটিনা বিচ্ছিন্নতার মতো গুরুতর জটিলতা খুঁজে পাননি। ক্লিনিক্যাল তথ্যের ভিত্তিতে চিকিৎসক এই ঘটনাটিকে ‘ভালসালভা রেটিনোপ্যাথি’ বলে চিহ্নিত করেন।

ভালসালভা রেটিনোপ্যাথি কী?
ভালসালভা রেটিনোপ্যাথি হল এক ধরনের রেটিনাল রক্তক্ষরণ। ভারী কাজ, কাশি, বমি, মলত্যাগের জন্য কোঁথ দেওয়া বা এমনকী যৌন কার্যকলাপের মতো হঠাৎ তীব্র শারীরিক চাপের কারণে এটি ঘটতে পারে। এই চাপের ফলে চোখের ভেতরের রক্তনালীগুলো ফেটে যায়। সাধারণত সুস্থ ও সক্রিয় ব্যক্তিদেরও এই রোগ হতে পারে। এটি কোনও গুরুতর রক্তনালীঘটিত রোগের ফলাফল নয়। এটি সরাসরি চাপের যান্ত্রিক প্রভাবের কারণে ঘটে।Valsalva Retinopathy led to sudden vision loss in a 27-year-old weightlifterলক্ষণ কী?
এই রোগের প্রধান লক্ষণ হল এক চোখে হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া। রোগীরা প্রায়শই তাদের কেন্দ্রীয় দৃষ্টিতে একটি কালো ছায়া বা দাগ দেখতে পান। অনেকটা কাচের উপর কালির দাগের মতো দেখতে পান। অন্যান্য সম্ভাব্য উপসর্গের মধ্যে রয়েছে:
১. দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।
২. চোখের সামনে কালো ভাসমান দাগ।
৩. খুব কম ক্ষেত্রে সামান্য অস্বস্তি অনুভূত হওয়া।
দৃষ্টিতে হঠাৎ কোনও পরিবর্তন দেখা দিলে অবিলম্বে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চিকিৎসা পদ্ধতি
এই রোগের চিকিৎসায় মূলত দ্রুত রক্তক্ষরণ দূর করে দৃষ্টি ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ছোটখাটো রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে রোগীকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই রক্ত আপনাআপনি মিশে যায়। যদি রক্ত রেটিনার ভেতরের পর্দার (ILM) নিচে আটকে থাকে, তবে ইয়্যাগ লেজার ব্যবহার করা হয়। লেজারের সাহায্যে পর্দায় একটি সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করা হয়। এর ফলে রক্ত চোখের ভেতরের অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক ভাবে শোষিত হয়। খুব কম ক্ষেত্রেই মারাত্মক রক্তক্ষরণের জন্য ‘ভিট্রেক্টমি’ নামক অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.