Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
Covid patient

করোনা রুখতে অব্যর্থ স্টেরয়েড! বাড়িতে থাকা রোগীদের জোড়া ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ রাজ্যের

পাঁচদিন পরেও জ্বর-কাশির সমস্যা থাকলে দুটি ওষুধ ম্যাজিকের মতো ফল দেবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২১, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২১, ১৭:৫১

options
link
করোনা রুখতে অব্যর্থ স্টেরয়েড! বাড়িতে থাকা রোগীদের জোড়া ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ রাজ্যের zoom

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: গেম চেঞ্জার! সম্ভবত তাই। অতিমারীতে লাগাম টানতে বাড়িতে থাকা কোভিড রোগীদের স্টেরয়েড ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর (WB Health Department)। স্বাস্থ্য কর্তাদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী পাঁচদিন পরেও যদি জ্বর-কাশির সমস্যা থাকে তবে বাড়িতে এই দুটি ওষুধ ব্যবহারে ম্যাজিকের মতো ফল দেবে। রোগীর উপসর্গ কমবে। বস্তুত গোটা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ প্রথম এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বাড়িতে থাকা করোনা (Corona Virus) রোগীদের জন্য দু’টি স্টেরয়েড মিশ্রিত ওষুধ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে একটি ইনহেলার। এবং দ্বিতীয় ওষুধটি ডেক্সামিথেজন। রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. অজয় চক্রবর্তীর কথায়, “আগে রোগীর জীবন বাঁচাতে হবে। তারপর অন্য কিছু। আর এই জন্য এই দুটি ওষুধ বাড়িতে থাকা কোভিড রোগীরাও এখন থেকে ব্যবহার করতে পারবেন।” তবে এরপরেও যদি রোগীর উপসর্গ না কমে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বাড়িতে থাকা কোভিড রোগী ঠিক কখন এই দুটি স্টেরয়েড মিশ্রিত ইনহেলার ও ওষুধ ব্যবহার করতে পারবেন? উত্তরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পাঁচ দিন পরেও রোগীর কাশি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে তখনই ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অসুস্থ মুকুল! অভিজ্ঞতার নিরিখে বাংলার বিরোধী দলনেতার দৌড়ে এগিয়ে শুভেন্দু]

স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে কেন রোগীকে বাড়িতেই স্টেরয়েড মিশ্রিত ওষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর? উত্তরে স্বাস্থ্য অধিকর্তা বলেছেন, “পাঁচদিন পরেও কোভিড উপসর্গ থাকলে ধরে নেওয়া হয়, সাইটোকাইন স্টর্ম শুরু হয়েছে। অর্থাৎ রোগীর শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে তীব্র প্রদাহ শুরু হচ্ছে। এই প্রদাহ বা জ্বলুনির হাত থেকে নিস্তার পেতে দরকার জল। আর স্টেরয়েড সেই জলেরকাজটাই করে। এটাই গেম চেঞ্জার।” আরেক শীর্ষ কর্তার কথায়, “স্টেরয়েড প্রদাহ থেকে শরীরকে মুক্তি দেয়। ক্রমশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠে। প্রাণ বাঁচে।” স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রোটোকল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বক্তব্য, “এই দুটি ওষুধ ব্যবহারের ফলে হাসপাতালে রোগী ভরতির প্রবণতাও অনেকটা কমবে।”

বুদেসোনাইড ইনহেলার এবং ডেক্সামিথেজন ট্যাবলেট কতদিন খেতে হবে? “এডভাইজারি ফর দ্য এক্সটেন্ডেড ইউস অফ কর্টিকোস্টেরয়েড” প্রকাশ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে পাঁচদিন পরেও কাশি বা এজমা সিওপিডি অথবা নাক বন্ধ হয়ে গেলে বুদেসোনাইড ৪০০ এমসিজি দিনে দু’বার করে পাফ নিতে হবে। ৫-৭ দিন ব্যবহার করতে হবে। এবং ডেক্সামেথসন .০১-.০২ মিলিগ্রাম একইরকম ভাবে ৩-৫ দিন সকালে একবার খাওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে। স্টেরয়েড ব্যবহারে যেহেতু রক্তচাপ ও সুগারের মাত্রায় হেরফের হয় তাই এইসময় রোগীর ব্লাড সুগার পরীক্ষার কথাও বলা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: করোনায় নিজে থেকে ডাক্তারি নয়, নয়তো ভয়াবহ বিপদ! সতর্ক করছেন চিকিৎসকরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.