Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Ram Navami 2026

রাম নবমীতে ঘরে আনুন এই ৫ জিনিস, ফিরবে সৌভাগ্য, কাটবে বাস্তুদোষ

পঞ্জিকা মতে, চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী তিথিতেই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বিষ্ণুর সপ্তম অবতার শ্রীরামচন্দ্র। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মর্ত্যে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠার এই পুণ্যতিথিতে ভক্তিভরে রঘুনন্দনের আরাধনা করলে সব দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে কেবল উপাসনা নয়, বাস্তুশাস্ত্র বলছে এই বিশেষ দিনে নির্দিষ্ট কিছু জিনিস ঘরে আনলে সারা বছর শ্রীরামের পাশাপাশি মা লক্ষ্মী ও বজরংবলীর আশীর্বাদ বজায় থাকে। দূর হয় গৃহের নেতিবাচক শক্তি। সৌভাগ্য ফেরে। গৃহের বাস্তুদোষ কেটে যায়। এই পুণ্যলগ্নে কোন কোন জিনিস ঘরে আনবেন? জেনে নিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৪:১৯

options
link
রাম নবমীতে ঘরে আনুন এই ৫ জিনিস, ফিরবে সৌভাগ্য, কাটবে বাস্তুদোষ zoom
এই পুণ্য তিথিতে কোন কোন জিনিস ঘরে আনবেন? জেনে নিন। ছবি: সংগৃহীত

রাম নবমী (Ram Navami 2026) মানেই অশুভ শক্তির বিনাশ, শুভ শক্তির আবাহন। পঞ্জিকা মতে, চৈত্র মাসের শুক্লা নবমী তিথিতেই ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন বিষ্ণুর সপ্তম অবতার শ্রীরামচন্দ্র। সনাতন ধর্মে এই দিনটির মাহাত্ম্য অপরিসীম। ২০২৬ সালে নবমী তিথি শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে। চলবে পরদিন অর্থাৎ ২৭ মার্চ সকাল ১০টা ০৬ মিনিট পর্যন্ত। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, মর্ত্যে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠার এই পুণ্যতিথিতে ভক্তিভরে রঘুনন্দনের আরাধনা করলে সব দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে কেবল উপাসনা নয়, বাস্তুশাস্ত্র বলছে এই বিশেষ দিনে নির্দিষ্ট কিছু জিনিস ঘরে আনলে সারা বছর শ্রীরামের পাশাপাশি মা লক্ষ্মী ও বজরংবলীর আশীর্বাদ বজায় থাকে। দূর হয় গৃহের নেতিবাচক শক্তি। সৌভাগ্য ফেরে। দূর হয় বাস্তুদোষ। এই পুণ্যলগ্নে কোন কোন জিনিস ঘরে আনবেন? জেনে নিন।

Ram Navami 2026: March 26 or 27? Check timings
ফাইল ছবি

সোনা বা হলুদ বস্ত্র
বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, রাম নবমীর দিন সোনা কেনা অত্যন্ত শুভ। মনে করা হয়, এই দিন সামান্য পরিমাণ সোনা কিনলেও দেবী লক্ষ্মী প্রসন্ন হন এবং সংসারে শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। তবে বর্তমান বাজারে সোনার যা দাম, তাতে সবার পক্ষে তা কেনা সম্ভব নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে হলুদ রঙের নতুন পোশাক বা এক টুকরো হলুদ কাপড় কিনতে পারেন। শাস্ত্র মতে, হলুদ রঙ দেবগুরু বৃহস্পতির প্রতীক। এই দিনে হলুদ বস্ত্র ঘরে আনলে আর্থিক সংকট কেটে যায় এবং উন্নতির পথ প্রশস্ত হয়।

Advertisement

রুপোর মুদ্রা
আর্থিক টানাটানি মেটাতে রাম নবমীতে রুপোর মুদ্রা কেনার পরামর্শ দেন শাস্ত্রজ্ঞরা। একটি রুপোর কয়েন কিনে সেটি পুজোর স্থানে রাখুন। পুজোর পর সেই মুদ্রাটি লাল কাপড়ে মুড়ে আলমারি বা সিন্দুকে রেখে দিন। এতে উপার্জনের নতুন নতুন উৎস তৈরি হয়। সঞ্চয় বাড়ে।

হলুদ শাঁখ
হিন্দু ধর্মে শঙ্খধ্বনি ছাড়া যে কোনও মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান অসম্পূর্ণ। রাম নবমীর পুণ্যলগ্নে বাড়িতে একটি নতুন হলুদ শাঁখ নিয়ে আসুন। এই শঙ্খ ঠাকুরের আসনে স্থাপন করলে গৃহের বাস্তুদোষ খণ্ডন হয়। শঙ্খের পবিত্র আওয়াজ ঘর থেকে অলক্ষ্মীকে বিদায় করে ইতিবাচক শক্তি ফিরিয়ে আনে।

ফাইল ছবি

গেরুয়া ধ্বজা
রাম নবমীর বিশেষ অঙ্গ হল হনুমানজির ধ্বজা বা পতাকা। এই দিন বাড়ি বা মন্দিরের ছাদে একটি হলুদ বা গেরুয়া রঙের পতাকা লাগানো অত্যন্ত ফলদায়ী। বাস্তু মতে, বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে বা ছাদে এই নিশান ওড়ালে পরিবারের ওপর আসা আকস্মিক বিপদ কেটে যায়। এটি অশুভ নজর থেকে পরিবারকে রক্ষা করে এবং সুখ-সমৃদ্ধি বজায় রাখে।

তুলসী চারা
নারায়ণের প্রিয় হল তুলসী। শ্রীরামচন্দ্র যেহেতু বিষ্ণুরই অবতার, তাই তুলসী ছাড়া তাঁর পুজো সম্পন্ন হয় না। যদি আপনার বাড়িতে তুলসী গাছ না থাকে, তবে রাম নবমীর দিন একটি চারা গাছ নিয়ে এসে রোপণ করুন। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় তুলসীতলায় প্রদীপ জ্বাললে গৃহস্থের অমঙ্গল দূর হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.