Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

রান্নাঘরে গ্যাস স্টোভ আছে? বিপদ ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে জানেন কি?

হৃদরোগের মূলে নিরীহ উনুন!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১১:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১১:৩৯

options
link
রান্নাঘরে গ্যাস স্টোভ আছে? বিপদ ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে জানেন কি? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক দূষণ আমাদের দেশের এক জীবন্ত সমস্যা। বায়ুদূষণ এর মধ্যে অন্যতম।গাড়ি-ঘোড়া, কলকারখানার ধোঁয়ার বাইরেও যে ক্ষতিকারক ধোঁয়া আমাদের সবথেকে বেশি ঘিরে রাখে তা রয়েছে ঘরের মধ্যেই। মানি আর নাই মানি রান্নার জন্য ব্যবহৃত উনুন বায়ুদূষণের অন্যতম উৎস।তবে গ্রাম বাংলায় ব্যবহৃত উনুনের সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে শহরের মডিউলার কিচেনে থাকা গ্যাস স্টোভও। দেখতে আপাত নিরীহ হলেও বায়ুদূষণ বাড়াতে এরা দারুণ সক্রিয়। তাই দূষণ যে শুধু শহরেই হচ্ছে এমন নয়, গ্রামেও প্রতিনিয়ত বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়েই চলেছে। ফুটপাথের খাবারের দোকানগুলিতে মূলত কয়লার উনুনেই রান্না চলে। যত রান্না হয় ততই পাল্লা দিয়ে বাড়ে বায়ুদূষণের মাত্রা।

[মুখ্যমন্ত্রীর মমতায় অসুস্থ শিশুর চিকিৎসা বীরভূমে]

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা রিপোর্ট বলছে, ভারতের গ্রামাঞ্চলে যে কাঠের উনুনে রান্নাবান্না হয়, তা থেকেই মূলত বেশি মাত্রায় বায়ুদূষণের সম্ভাবনা রয়েছে।মানুষের স্বাস্থ্য ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশে এই দূষণের কু-প্রভাব পড়ছে।গ্রামের বাড়িতে যে সস্তার জ্বালানি কাঠ, কাঠকয়লা, বায়োগ্যাস, ঘুটে ও তুষ ব্যবহার হয়, তা থেকেই সবথেকে বেশি দূষণ ছড়ায়।এই পুরনো রীতির কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাহলে অল্প হলেও বায়ুদূষণের মাত্রা কমানো যাবে।এই কাজ করতে হলে সস্তার রাস্তা ছেড়ে জ্বালানি সামগ্রীর মান উন্নত করতে হবে।

Advertisement

বলাবাহুল্য, শুধু চিরাচরিত উনুন যে দূষণ ছড়ায় তা নয় একই তালিকায় রয়েছে গ্যাসের স্টোভ। রান্নাঘরে যখন রান্না করছেন তখন গ্যাসের স্টোভ থেকেও ধোঁয়া বের হচ্ছে।সেই ধোঁয়াও যথেষ্ট ক্ষতিকারক। গ্যাসের স্টোভে রান্নার সময় প্রচুর পরিমাণে ক্ষতিকারক নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড ও কার্বন মনোঅক্সাইড নির্গত হচ্ছে। একই সঙ্গে ফর্মালডিহাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাসও নির্গত হচ্ছে।এদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস মিথেনের কণা বাতাসে ভাসমান রয়েছে। কোনওভাবে স্টোভের পাইপ লিক হলেই ভিতরের ফর্মালডিহাইড বাইরের মিথেনের সংস্পর্শে এসে বড়সড় বিপদ ঘটাতে কসুর করবে না।

[হায়দরাবাদে গিয়ে নিখোঁজ জলপাইগুড়ির প্রাক্তন শিক্ষক]

তাই জ্বালানি কাঠের উনুন হোক আর কাঠকয়লার উনুন বা গ্যাসের স্টোভ। সবটাই আমাদের জন্য বিষের সমান।গ্রামে শহরে যেখানেই থাকি না কেন, এই ধোঁয়া যদি শরীরে ক্রমাগত প্রবেশ করতে থাকে তাহলে শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগের প্রবণতা বাড়বে বই কমবে না। যদিও আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের অসহায়তার সহায় হয়েছে। বায়ুদূষণের অনিবার্য পরিণতি থেকে বাঁচতে হাতে তুলে দিয়েছে বিদ্যুৎচালিত ইনডাকশন।তবে গ্রামের আর্থসামাজিক পরিস্থিতির কাছে ইনডাকশন অনেকটাই ব্যয়বহুল। যেটা পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সাপেক্ষে একটি বড়মাপের সমস্যা বইকি।

[হাওয়ায় উড়ছে পুলিশের গাড়ি, ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.