২৯ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোজকার অফিসের ব্যস্ততা৷ সপ্তাহান্তে একদিনের ছুটিতে আর ঘর গুছোতে কারই বা মন চায়৷ অথচ উৎসবের মরশুমে বাড়িতে কারও না কারও আসা যাওয়া লেগেই রয়েছে৷ কিন্তু অপরিষ্কার ঘরে তো আর অতিথি আপ্যায়ন সম্ভব নয়৷ এই পরিস্থিতিতে ঘরের অগোছালো জিনিস রাখার একমাত্র জায়গা আলমারি ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে৷ এরপর পরদিন সকালে অফিস যাওয়ার সময় নাজেহাল৷ পোশাক খুঁজে পেতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে৷ টপ আছে তো, জিনস নেই৷ আবার জিনস পেলেন তো, টপ নেই৷ সেই পরিস্থিতিতে নিজের উপর নিজেরই রাগ হয়৷ বাড়তি পাওনা অফিস ঢুকতে দেরি হওয়ার জন্য বসের চিৎকার৷

[গৃহস্থালির উপকরণেও এবার ঠাঁই পাচ্ছে পটের আঁকিবুকি]

ভাবছেন শুধু অগোছালো বলেই আপনি এমন সমস্যায় পড়ছেন৷ মোটেও না৷ এ বিষয়ে মনোবিদদের মত একেবারেই অন্যরকম৷ তাঁদের মতে, আপনার বা আপনার কাছের কোনও মানুষের আলমারি যদি অগোছালো অবস্থায় থাকে, তবে তিনি হয় তো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে রয়েছেন৷ আবার কারও কারও আলমারিতে পুরনো পোশাক জমিয়ে রাখার অভ্যাস রয়েছে৷ মনোবিদদের দাবি, যাঁরা পুরনো পোশাক আলমারিতে জমিয়ে রাখেন, তাঁরা নস্ট্যালজিক হন৷ তাঁরা ওই পোশাকের কথা ভেবেই স্মৃতি রোমন্থন করতে ভালবাসেন বলেও দাবি মনোবিদদের৷

[উৎসবের মরশুমে বাড়ির মেকওভার চান? ঘর সাজান আলোয় আলোয়]

মনোবিদদের মতে, যে ব্যক্তি বা মহিলা অবসাদে ডুবে থাকেন, তাঁরা যদি প্রতিদিনের রুটিনে রাখুন আলমারি গোছানোর কাজ৷ তাহলে অবসাদ কেটে গিয়ে, মন ভাল হতে বাধ্য৷ যে মানুষ যত ভাল আলমারি গোছাতে পারেন, তাঁর সততা নাকিও ততটাই বলে দাবি মনোবিদদের৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং