সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনে (Lockdown) বাড়িতে বসে কাজ করা অনেকেরই রোজনামচা হয়ে গিয়েছিল। আবার নিউ নর্মালে প্রতিদিন অফিস এসে সেই ঘন্টার পর ঘন্টা একটানা বসে কাজ করতে হয়। আবার ধরুন, সকালে কাজের ফাঁকে চায়ের কাপ হাতে কিছুক্ষণ মোবাইল বা সংবাদপত্রে চোখ বোলানো। সেটাও সেই বসেই। সন্তানের অনলাইন ক্লাসও চেয়ারে বসেই। এতগুলো কথা বলার কারণ একটাই, আপনি দিনের বেশিরভাগ সময়ই বসে কাজ করেন। ফলে যেটা হয় সেটা হল আপনার পিঠ বা শিরদাঁড়া (Back pain) অনেক সময়ই যন্ত্রনা দেয়। বুঝেও সেটা অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে আপনার কাছে। তাই নিজের ঘরে বা অফিসে রাখতে পারেন এমন ধরনের চেয়ার যা শুধু আরাম দেবে তাই নয়, আপনার পিঠেরও খেয়াল রাখবে।
১. রিভলভিং চেয়ার- এই চেয়ারে মূলত লেদারের কাপড় থাকে। বসার জন্য সিট নিজের দরকার মতো ঠিক করে নেওয়া যায়। চাকা থাকার কারণে এদিক-ওদিক মুভ করতেও সুবিধা হয়।

২. গ্যালেন চেয়ার- বসার জন্য উপযুক্ত এই চেয়ার। অফিসের কাজে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার জন্য এই চেয়ার আরামদায়ক।

৩. মেশ অফিস চেয়ার- এই ধরনের চেয়ার যে কোনও কর্পোরেট অফিসে ব্যবহার করা হয়। পিঠকে আরাম দিতে এই চেয়ার খুব উপযোগী।
[আরও পড়ুন: গ্রীষ্ম আসার আগেই এভাবে সাজিয়ে তুলুন বাড়ির আনাচে-কানাচে, মন থাকবে সতেজ]

৪. চেষ্ট চেয়ার- এই চেয়ারে ব্যবহার করা হয়েছে নরম ফোম। বসে আরামও তো পাবেনই, পাশাপাশি হাত রাখার ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবেন।

তবে অনেকে মনে করতে পারেন বাড়িতে কাঠের চেয়ার থাকতে অন্য চেয়ার কিনে কেন অতিরিক্ত জায়গা নষ্ট করবেন। সেক্ষেত্রেও যদি কাঠের চেয়ারে যদি গদির মত কিছু একটা ব্যবহার করেন তাহলে ভাল। পাশাপাশি একটানা না বসে মাঝে মধ্যে একটু হাঁটাচলা করতে পারেন। এতে পিঠের ওপর অতিরিক্ত চাপও পড়বেনা। আর যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।
[আরও পড়ুন: সাফল্যের পথে বাড়ির সিঁড়িটিই বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে না তো? জানুন বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মত]
সর্বশেষ খবর
-
বাড়িতে অন্ত্যেষ্টির তোড়জোড়, ৫ দিন পর এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’ থেকে সশরীরে ফিরলেন শেরপা
-
‘ভূতে’ লুটে খাচ্ছে রেশন! দুর্নীতির শিকড় উপড়াতে শুভেন্দু সরকারের স্ক্যানারে খাদ্যসাথী
-
বাংলাদেশিদের ভুয়ো নথির জোগান! দিল্লির অভিশপ্ত সেই হোটেল মালিক সম্পর্কে বিস্ফোরক তথ্য
-
‘শুধু দেব নয় অনেকেই মন খুলে কথা বলছেন’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিকে ‘রঘু’র সমর্থনে কী বললেন রূপা?
-
রাজস্থানে পাড়ি দিল মালদহের লিচু, আয়ের নতুন পথ খুলতেই মুখে হাসি চাষিদের