Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Vastu Tips

মাটির কলসি থেকে জল পান করেন? বাড়ির এই স্থানে রাখলে দূর হবে আর্থিক অনটনও

মাটির পাত্রে রাখা জল কেবল প্রাকৃতিকভাবেই শীতল থাকে না, এর স্বাস্থ্যগুণও অপরিসীম। তবে মাটির ঘড়া কি কেবল জল ঠান্ডা রাখার আধার? বাস্তুবিদরা বলছেন অন্য কথা। তাঁদের মতে, সঠিক নিয়ম মেনে বাড়িতে মাটির কলসি রাখলে ফিরতে পারে আপনার সৌভাগ্য। জানুন, বাস্তু নিয়ম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৫:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০২৬, ১৫:৪১

options
link
মাটির কলসি থেকে জল পান করেন? বাড়ির এই স্থানে রাখলে দূর হবে আর্থিক অনটনও zoom
বাড়ির কোথায় মাটির কলসি রাখলে ফিরবে ঘরের শ্রী? জানুন, বাস্তু নিয়ম। ছবি: সংগৃহীত

তপ্ত রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত। বৈশাখের আগেই চড়চড়িয়ে বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। এই হাঁসফাঁস গরমে ফ্রিজের কনকনে ঠান্ডা জল পান করছেন? এতে সাময়িক তৃপ্তি পাবেন বটে, তবে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পরিবর্তে মাটির কলসি বা ঘড়া ব্যবহার করুন। মাটির পাত্রে রাখা জল কেবল প্রাকৃতিকভাবেই শীতল থাকে না, এর স্বাস্থ্যগুণও অপরিসীম। তবে মাটির ঘড়া কি কেবল জল ঠান্ডা রাখার আধার? বাস্তুবিদরা বলছেন অন্য কথা। তাঁদের মতে, সঠিক নিয়ম মেনে বাড়িতে মাটির কলসি রাখলে ফিরতে পারে আপনার সৌভাগ্য। বাড়ির কোথায় কলসি রাখলে ফিরবে ঘরের শ্রী? জানুন, বাস্তু নিয়ম (Vastu Tips)।

বাড়ির কোথায় রাখবেন মাটির কলসি?
বাস্তুশাস্ত্র মতে, বাড়িতে মাটির পাত্র বা কলসি রাখার নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। কলসিটি বাড়ির কোন কোণে রাখা হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে গৃহস্থের উন্নতি। শাস্ত্র বলছে, মাটির কলসি রাখার জন্য সবথেকে উপযুক্ত স্থান হল ঘরের উত্তর দিক। হিন্দু ধর্মে উত্তর দিককে ধনসম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবতা কুবেরের স্থান বলে মনে করা হয়। তাই উত্তর দিকে জলভর্তি মাটির ঘড়া রাখলে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়। মনে করা হয়, এর ফলে আর্থিক অনটন দূর হয় এবং কুবেরের আশীর্বাদে সংসারে অর্থের অভাব থাকে না।

Advertisement
প্রতীকী ছবি

নতুন কলসি ব্যবহারের টোটকা
বাজার থেকে নতুন মাটির পাত্র কিনে এনেই সরাসরি ব্যবহার করা অনুচিত। বাস্তুমতে, নতুন কলসি বাড়িতে আনার পর তা ভালো করে ধুয়ে জলপূর্ণ করতে হয়। এই কলসির প্রথম জল কোনও ছোট কন্যাকে পান করানো অত্যন্ত শুভ। এতে দেবী লক্ষ্মী তুষ্ট হন বলে ভক্তদের বিশ্বাস। এই ছোট কাজটির মাধ্যমে সংসারে যেমন শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, তেমনই বজায় থাকে অনাবিল শান্তি।

কী বলছে জ্যোতিষশাস্ত্র?
জ্যোতিষশাস্ত্রে মাটির পাত্রকে বুধ গ্রহের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। অন্যদিকে, কলসির মধ্যস্থিত জল হল চন্দ্রের প্রতীক। তাই বাড়িতে জলভর্তি ঘড়া রাখলে জন্মছকে বুধ ও চন্দ্রের অবস্থান মজবুত হয়। এর ফলে মানুষের বুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ে। পাশাপাশি, মন শান্ত থাকে। তবে মনে রাখতে হবে, ঘড়া যেন কখনওই খালি না থাকে। জল না থাকলে সেখানে চাল ভরে রাখা যেতে পারে। শূন্য কলসি অমঙ্গলের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মাটির কলসির সামনে একটি ঘিয়ের বা তেলের প্রদীপ জ্বালানো শুভ। বাস্তুবিদদের মতে, এই অভ্যাস কর্মজীবনে অভাবনীয় সাফল্য এনে দিতে পারে। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিয়ম মেনে ঘড়াটি সাজিয়ে রাখলে অশুভ শক্তি দূরে থাকে। তাই এই গরমে কেবল তৃষ্ণা মেটাতেই নয়, ঘরের শ্রী ফেরাতেও মাটির কলসি হতে পারে আপনার অন্যতম সঙ্গী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.