Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Vastu Tips

সদর দরজার সামনেই রাস্তা বা ল্যাম্প পোস্ট? অলক্ষ্যে ভাগ্য কাড়ছে এই ৫ ভয়ংকর দ্বার দোষ

নতুন বাড়ি কিনেছেন? বাড়িতে পা রাখতেই একে একে ঘটছে অনর্থ! সংসারে অশান্তি, আর্থিক টানাপোড়েন কিংবা অসুখ-বিসুখ লেগেই আছে? নেপথ্যে কি 'দ্বার দোষ'?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
সদর দরজার সামনেই রাস্তা বা ল্যাম্প পোস্ট? অলক্ষ্যে ভাগ্য কাড়ছে এই ৫ ভয়ংকর দ্বার দোষ zoom
নতুন বাড়িতে পা রাখতেই অনর্থ!নেপথ্যে কি 'দ্বার দোষ'?
Advertisement

নতুন বাড়ি কিনেছেন? বাড়িতে পা রাখতেই একে একে ঘটছে অনর্থ! সংসারে অশান্তি, আর্থিক টানাপোড়েন কিংবা অসুখ-বিসুখ লেগেই আছে? নেপথ্যে থাকতে পারে বাড়ির বাস্তুদোষ। তবে, বাড়ির অভ্যন্তরীণ শক্তিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হয় বাইরের পরিবেশ থেকেই। বাস্তুবিজ্ঞান বলছে, এই ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতিকে বলা হয় ‘দ্বার দোষ’। পাঁচ রকমের এমন দৃশ্যমান উপাদান রয়েছে, যা মূল ফটকের সামনে থাকলে গৃহস্থের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

প্রথমত, বাড়ির ঠিক সামনে যদি সোজা কোনও রাস্তা চলে আসে, তবে তাকে অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। এর ফলে ঘরে লক্ষ্মীশ্রী স্থায়ী হয় না। উপার্জিত অর্থ জলের মতো খরচ হয়ে যায়। সংসারে বাড়ে মানসিক চাপ। এই অশুভ প্রভাব কাটাতে সদর দরজায় আমপাতার তোরণ ঝোলানো এবং প্রবেশদ্বারের দু’পাশে সতেজ ইনডোর প্ল্যান্ট রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

দ্বিতীয়ত, প্রবেশপথের ঠিক সামনে বড় কোনও বৃক্ষ থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। গাছের উচ্চতা যদি গৃহের চেয়ে বেশি হয়, তবে গৃহশান্তি বিঘ্নিত হয়। তৈরি হয় নিত্যদিনের রোগব্যাধি। এর মহৌষধ হিসেবে দরজার সামনে তুলসী মঞ্চ স্থাপন করা উচিত।

তৃতীয়ত, সদর দরজার সোজাসুজি বিদ্যুতের খুঁটি থাকলে তা সংসারে অশান্তির আগুন জ্বালায়। আয়ের পথ রুদ্ধ হয়। এক্ষেত্রে ঘরের ভেতরে ক্রিস্টাল পিরামিড রাখা এবং ওই খুঁটিতে লাল কাপড় বেঁধে রাখা বেশ ফলদায়ী।

চতুর্থত, অনেকের বাড়িই ঠিক ‘টি-জাংশন’ বা রাস্তার মোড়ে অবস্থিত। যেখানে এসে রাস্তাটি আচমকা থমকে যায়। বাস্তুমতে, এই ভৌগোলিক অবস্থান বাসিন্দাদের সিদ্ধান্তহীনতা ও জীবনে চরম অস্থিরতা ডেকে আনে। এই মহাদোষ খণ্ডন করতে প্রবেশদ্বারে শ্রীযন্ত্র বা স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে রোজ সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানো কর্তব্য।

পঞ্চমত, গৃহের সম্মুখে নোংরা জলের নালা, নর্দমা বা বড় গর্ত থাকা চূড়ান্ত ক্ষতিকারক। এটি নেতিবাচক শক্তির আঁতুড়ঘর। এর জেরে পরিবারে লেগেই থাকে অসুস্থতা ও অর্থহানি। প্রতিকার হিসেবে নালাটি সর্বদা ঢেকে রাখা, নিয়মিত ঘরে গঙ্গাজল ছেটানো এবং সকাল-সন্ধ্যায় কর্পূরের ধোঁয়া দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। গাছ বা খুঁটি উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়, কিন্তু সঠিক উপাচারে এই ‘দ্বার দোষ’ কাটিয়ে জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব অনাবিল সমৃদ্ধি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.