×

৬ চৈত্র  ১৪২৫  শুক্রবার ২২ মার্চ ২০১৯   |   শুভ দোলযাত্রা।

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৬ চৈত্র  ১৪২৫  শুক্রবার ২২ মার্চ ২০১৯ 

BREAKING NEWS

ভরসা বাড়ছে৷ কর্কট রোগের কামড় প্রতিরোধ করছেন বহু মানুষ৷ ক্যানসার চিকিৎসায় অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথি মিরাকল ঘটাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন প্রবীণ-অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞ ডা. পরিমল বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কীভাবে? মুখোমুখি বসে সেই কথাই শুনলেন জিনিয়া সরকার৷

‘ক্যানসার সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না’– এই ধারণা কি হোমিওপ্যাথি ভেঙে দিচ্ছে?

ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন ব্যবহার করা হয়৷ রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা যদি তিন বছর থাকে কেমোথেরাপি দিয়ে সেই সময়সীমা বাড়ানো সম্ভব – এই ধারণা ঠিক৷ তবে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ‘এক্সপেনশন অফ লাইফ’ বাড়ানোর পাশাপাশি ক্যানসার সারিয়ে তুলেছে এমন উদাহরণ অনেক রয়েছে৷ অনেকেই সুস্থ হয়ে ১০-১২ বছর পর্যন্ত ভাল আছেন৷ ক্যানসারের খুব জটিল অবস্থায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শুরু করলেও রোগীকে অনেকটাই সুস্থ করে দেওয়া যায়৷ অন্য পদ্ধতিতে চিকিৎসায় যেখানে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কম সেখানে এই হোমিওপ্যাথিতে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি৷

কোন কোন ক্যানসারে হোমিওপ্যাথি সবচেয়ে ভাল কাজ দেয়?

যে কোনও ক্যানসার কতটা নির্মূল হবে তা নির্ভর করে রোগী কোন ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত ও কোন স্টেজে চিকিৎসা করছেন তার উপর৷ প্রস্টেট ক্যানসার, ইউরিনারি ব্লাড ক্যানসার, ব্রেন টিউমার, অস্ট্রিওসারকোমা, স্কিন ক্যানসার, সার্ভিক্স ক্যানসারের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসা সবচেয়ে বেশি কাজ দেয়৷ তবে যে রোগীর ক্যানসার হচ্ছে তার শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে রোগ কতটা সারবে৷ যেমন, রোগীর ডায়াবেটিস থাকলে তাঁর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই কমে যায়৷ সেক্ষেত্রে ক্যানসার হলে রোগ সারানো জটিল হয়৷ তবু এসব ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা যথেষ্ট ভাল কাজ দিচ্ছে৷

কোন স্টেজে ক্যানসার ধরা পড়লে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?

ক্যানসার সারাতে চাইলে সঠিক শনাক্তকরণ হওয়া খুবই জরুরি৷ অনেক ক্ষেত্রেই ক্যানসার অনুমান করলেও তা ক্যানসার না-ও হতে পারে৷ আবার কখনও ক্যানসারের লক্ষণ নেই কিন্তু হতেই পারে ক্যানসার৷ কিছু ক্ষেত্রে ক্যানসার নিজে থেকে ভালও হয়ে যেতে পারে৷ হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসা ক্যানসারের প্রথম স্টেজে শুরু করলে উপকার অবশ্যই পাওয়া যায়৷ তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা জটিলতর হলে চিকিৎসা শুরু হয়৷ এক্ষেত্রেও হোমিওপ্যাথি কাজ দেয়৷ প্রি-ক্যানসারাস স্টেজে কেউ যদি হোমিওপ্যাথি করেন সেক্ষেত্রে ক্যানসার অনেকটাই রোধ করা সম্ভব৷

ট্র্যাডিশনাল হোমিওপ্যাথি ও আপনার চিকিৎসায় পদ্ধতি কি ভিন্ন পথ?

প্রথম অবস্থায় ক্যানসারের সঠিক ডায়গনস্টিক করা প্রয়োজন৷ এই ডায়গনস্টিক হোমিওপ্যাথি কিংবা অ্যালোপ্যাথি সবক্ষেত্রেই এক৷ প্রথম অবস্থায় হোমিওপ্যাথি অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলেও নানা পরীক্ষা করে অতীতের হোমিওপ্যাথির ধারণা বদলে বর্তমানে সফল চিকিৎসায় পথ দেখাচ্ছে ডা. পরিমল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথি’৷ অন্যান্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ‘টোটালিটি অফ সিমটম’ দেখে চিকিৎসা করা হয়৷ কিন্তু অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিতে রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ দেখে চিকিৎসা করা হয় না৷ যে ক্যানসার হয়েছে সেই সম্পর্কিত কী কী লক্ষণ তা বিবেচনা করে চিকিৎসা করা হয়৷ কোনও নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা চিকিৎসায় এই চিকিৎসা পদ্ধতি আবদ্ধ নয়৷ রোগী ও রোগীর ক্যানসার সম্পর্কিত লক্ষণ বিবেচনা করে তাঁর মতো চিকিৎসা করা হয়৷ তাই একই কারণে দু’জনের ক্যানসারের লক্ষণ আলাদা হলে চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন হবে৷ ক্যানসারের পিছনে মানসিক কারণ, পারিবারিক কারণ, শারীরিক কারণ বিবেচনা করে চিকিৎসা করা হয়৷ কী ধরনের ক্যানসার, কীভাবে ছড়াচ্ছে, ব্যথা-যন্ত্রণার মাত্রা, লক্ষণ সমস্ত বিবেচনা করে তবেই চিকিৎসা হয় অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিতে৷

অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিতে কি কেমোথেরাপির প্রয়োজন আছে?

ক্যানসার রোগীকে কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন দেওয়া হলে তা ক্যানসারকে আরও বাড়িয়ে দেয়৷ হাড়ে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লে তা সারিয়ে তোলা খুবই কঠিন৷ অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিতে কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশনের ব্যবহার নেই৷ আমাদের কাছে এমন রোগীর সংখ্যাই বেশি যাঁরা কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন দিয়েছে, ক্যানসার ছড়িয়ে গিয়েছে তারপর অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করাতে এসেছেন৷

কেন কেমোথেরাপি ক্ষতিকর?

ক্যানসার টিস্যুর পাশাপাশি তার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য টিসুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে কেমোথেরাপি৷ মূলত কেমোথেরাপি করে অ্যাবনরমাল কোষকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়৷ কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেই অস্বাভাবিক কোষকে নষ্ট করতে গিয়ে সুস্থ কোষগুলিকেও নষ্ট করে দিচ্ছে৷ চুল পড়ে যাওয়া আবার চুল গজানো, রোজ নতুন রক্ত উৎপন্ন হওয়া, এই যে নর্মাল ফাংশন এটাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কেমোথেরাপি৷ সেক্ষেত্রে অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথি রোগ সারানোর পাশাপাশি শারীরিক অন্যান্য কাজকর্মকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে আরও হেলদি করছে৷ শুধুমাত্র যে সেলটি ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্যানসার আক্রান্ত সেটাকেই সুস্থ করার চেষ্টা করছে৷ এই চিকিৎসায় ক্যানসার রোগীর ‘কোয়ালিটি অফ লাইফ’ অনেক ভাল হয়৷

এই পদ্ধতিতে ক্যানসার চিকিৎসার সঠিক সময়?

যত তাড়াতাড়ি রোগী চিকিৎসা করাতে আসবেন তত তাড়াতাড়ি রোগী সুস্থ হবেন৷ নানারকম চিকিৎসা করার পর হোমিওপ্যাথি শুরু করতে এলে তা সারানো অনেক জটিল৷ প্রথম অবস্থায় অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসা অনেক সহজ হয়৷

অ্যাডভান্সড হোমিওপ্যাথি কি কোনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে?

এই চিকিৎসায় আমরা সফল, তার মূল প্রমাণ রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠা৷ এই পদ্ধতিতে চিকিৎসায় করার আগে রোগীর শারীরিক অবস্থার থেকে চিকিৎসা করার পর শারীরিক অবস্থার অনেক উন্নতি দেখা গিয়েছে৷ এটাই সাফল্যের মূল আস্থা৷ বাকি স্বীকৃতি শুধু সময়ের অপেক্ষা৷

এই রোগ ও তার প্রতিকার সম্বন্ধে আরও জানতে ক্লিক করুন http://epaper.sangbadpratidin.in/epaper/edition/270/sangbad-pratidin-20-08-16/page/9 বা ডাক্তারবাবুকে ফোন করুন এই নম্বরে- ৯৮৩০০৪২৩২৪।

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং