২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘জনসন অ্যান্ড জনসন’ বেবি পাউডারও সুরক্ষিত নয়! অন্তত মার্কিন স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমীক্ষা সেকথাই বলছে। মার্কিন মুলুকে সংস্থাটির বেবি পাউডারে পাওয়া গিয়েছে ক্ষতিকারক অ্যাসবেস্টসের গুঁড়ো। যা শিশুদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনত। যার জেরে একপ্রকার বাধ্য হয়েই মোট ৩৩ হাজার বেবি পাউডারের কৌটো ফিরিয়ে নিল সংস্থাটি।


আমেরিকার স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এই প্রথম জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টসের নমুনা পাওয়া গিয়েছে। অ্যাসবেস্টস শিশু শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এর সংস্পর্শে এলে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। যদিও, জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি পাউডারে যে অ্যাসবেস্টস পাওয়া গিয়েছে তার মাত্রা অত্যন্ত কম। মাত্র ০.০০০০২ শতাংশ অ্যাসবেস্টস আছে এই পণ্যে। কিন্তু, তাতেও কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না জনসন অ্যান্ড জনসন। সংস্থার সম্মানের কথা মাথায় রেখে বাজার থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে প্রচুর বেবি পাউডারের কৌটো। এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে, একই লটের মোট ৩৩ হাজার পণ্য আমেরিকার বাজার থেকে তুলে নিচ্ছে সংস্থাটি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তাঁরা পুরো ব্যপারটি খতিয়ে দেখছে। যদিও, তাঁদের পণ্যে কোনও অ্যাসবেস্টস নেই বলেই সংস্থার দাবি।

[আরও পড়ুন: সর্বনাশ! কামরাঙার কামড়ে বিকল হচ্ছে আপনার কিডনি ]

যে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, তাঁর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। তবে, যতদিন না প্রমাণিত হচ্ছে জনসন অ্যান্ড জনসন বেবি পাউডার পুরোপুরি অ্যাসবেস্টস মুক্ত, ততদিন যে লটের পণ্যে ক্ষতিকারক পদার্থটি পাওয়া গিয়েছে, সেই লটের সমস্ত পণ্য বাজার থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। এই প্রথম নয়, এর আগে একাধিকবার জনসন অ্যান্ড জনসনের পণ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভারতেও একাধিকবার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসনের পণ্য। গতবছরের শেষের দিকে এদেশেও জনসনের পণ্যে অ্যাসবেস্টস পাওয়া গিয়েছিল। ১৯৪৮ সাল থেকে ভারতে এই পাউডারের ব্যবসা করছে জনসন অ্যান্ড জনসন। কিন্তু এই খবরের পর জনজন অ্যান্ড জনসনের ব্যবসায় যে প্রভাব পড়েছে, তা প্রকাশ্যেই সামনে এসেছে। গতকাল আমেরিকায় প্রায় ৬ শতাংশ নেমেছে সংস্থার শেয়ারের দাম।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং