সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শত ব্যস্ততার পর বাড়ি ফিরে শান্তির ঘুম কে না চায়। তবে অনেকেই আছেন যারা নিজের বিছানা, বালিশ না পেলে বিনিদ্র কাটিয়ে ফেলেন রাত। আবার অনেকেই আছে, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কোনও ঋতুতেই চাদর গায়ে না দিয়ে ঘুমোনোর কথা ভাবতেই পারেন না। তাদের নিয়ে পরিচিত বৃত্তে হাসি-ঠাট্টাও কম হয় না। কিন্তু জানেন কি এই চাদর গায়ে দিয়ে ঘুমনোর নেপথ্যে রয়েছে গভীর মনঃস্তত্ত্ব।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, চাদর অনেকের কাছে সেফ গার্ডের মতো। গবেষনা বলছে, অনেকেরই ছোটোবেলা খুব সমস্যায় কাটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার কারণ বাবা-মায়ের মধ্যেই টানাপোড়েন। প্রতিমুহূর্তে তাড়া করে ভয়, অনিশ্চয়তা। অর্থাৎ ট্রমার মধ্যে দিয়ে বেড়ে ওঠেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যেই নাকি এই প্রবণতা দেখা যায় সব থেকে বেশি। যুক্তি হল, অনিশ্চয়তায় ভরা জীবনে চাদরকে এরা একটা শিল্ডের মতো মনে করে। ভাবে, চাদর থাকলে কোনও বিপদ তাঁদের ছুঁতে পারবে না। যারা ঘুমের মধ্যে ভয় পেয়ে জেগে ওঠেন তাঁদের কাছেও চাদরটা সেফগার্ডের মতোই। চাদর গায়ে দিলে তবেই নিশ্চিন্ত হতে পারেন এরা, ঘুম নামে চোখে।
তবে এটাই যে একমাত্র কারণ তা একেবারেই নয়। ব্যাখ্যা রয়েছে আরও। চাদর গায়ে ঢাকা দিলে অনেকের ব্রেন চাপমুক্ত হয়। কেউ চাদর গায়ে শুয়ে পড়লে অনুভব করেন, এবার ঘুমোনোর সময়। কারও কাছে এটা স্রেফ অভ্যেস। যদিও অনেকেই আছেন, যারা শুধু চাদর গায়ে দিয়ে নয়, মুড়ি দিয়ে ঘুমোন। যা কিন্তু একেবারেই ভালো অভ্যেস নয়। কারণ, মুড়ি দিয়ে ঘুমোলে বিশুদ্ধ বাতাস ঢুকতে বাধা পায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, এই অভ্যেস বদলে ফেলাই ভালো।
সর্বশেষ খবর
-
প্রাক বর্ষার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, অস্বস্তির মাঝেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কলকাতা-সহ একাধিক জেলায়
-
সকালে টিকিট কেটে দুপুরে কোটিপতি! রাতারাতি ভাগ্যবদল যুবকের
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ