Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পুলওয়ামায় হামলার পরই ভারতের ৯০টি ওয়েবসাইট হ্যাকের চেষ্টা পাকিস্তানের

ভুযো খবর ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১৬:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৪, ২০১৯, ১৬:৩৩

options
link
পুলওয়ামায় হামলার পরই ভারতের ৯০টি ওয়েবসাইট হ্যাকের চেষ্টা পাকিস্তানের zoom
ছবি:‌ প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘটনা গত ১৪ ফেব্রুয়ারির। ভূস্বর্গের পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গিহামলায় শহিদ হয়েছিলেন চল্লিশ জনেরও বেশি ভারতীয় সিআরপিএফ জওয়ান। যে ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। যার পালটা হিসেবে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এয়ারস্ট্রাইক করে ভারতীয় বায়ুসেনা। এবার সামনে এল আরও এক তথ্য। সন্ত্রাসবাদীদের হামলার পরই ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ৯০টি ওয়েবসাইট হ্যাক করার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। অর্থাৎ জঙ্গিহানার পর সাইবার বিশ্বেও হানা দিতে চেয়েছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র। কিন্তু সে মিশনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় তারা।

[এই কাজটি করলেই একবছর নিখরচায় বিমান সফর করতে পারবেন আপনি!]

একটি রিপোর্টে জানা গিয়েছে, জঙ্গিহানার পর মূলত ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দিতেই ভারতের বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট হ্যাক করার চেষ্টা চালায় পাক হ্যাকাররা। লক্ষ্য ছিল, মিথ্যে তথ্য দিয়ে এ দেশের সাধারণ মানুষের উত্তেজনা ও ধন্দ বাড়িয়ে দেওয়া। পুলওয়ামায় জঙ্গিহানার দিনই ভারতীয় বায়ুসেনার ওয়েস্টার্ন এয়ার কমান্ডার চিফ সি হরি কুমারকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এমনই কিছু ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টায় ছিল হ্যাকাররা। কিন্তু শেষমেশ তাদের প্রয়াস ব্যর্থ হয়। তবে জানা গিয়েছে, হ্যাকিংয়ের শিকড় বাংলাদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিল।

Advertisement

[অনুমতি ছাড়া গ্রুপে অ্যাড নয়, হোয়াটসঅ্যাপে আসতে চলেছে নতুন ফিচার]

কিন্তু শুধু পাকিস্তানই নয়, পুলওয়ামার ঘটনার পর নাকি দু’শোরও বেশি পাক ওয়েবসাইট হ্যাক করে ‘টিম আই ক্রিউ’ নামের একটি ভারতীয় হ্যাকার দল। যা হ্যাক করে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের তীব্র নিন্দা করা হয়। সেই সব ওয়েবসাইট থেকে পুলওয়ামার ঘটনাকে ধিক্কার জানানো হয়। পাশাপাশি শহিদদেরও সম্মান জানিয়ে সেসব পোস্ট ভাইরাল করা হয়। তবে এ রিপোর্টের সত্যতা নিয়ে এখনও সন্দেহ রয়েছে। কারণ জঙ্গিহামলার পরে দু’দেশের কোনও পক্ষ থেকেই হ্যাকিংয়ের কোনওরকম অভিযোগ ওঠেনি। তাছাড়া কোনও ওয়েবসাইট থেকে দেশবিরোধী মন্তব্যও উঠে আসেনি। তবে যুদ্ধের আবহে সাইবার স্পেসকে সুরক্ষিত রাখতে আরও সতর্ক হয়েছে ভারত। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে যাতে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা না হয় সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.