সুব্রত বিশ্বাস: রেল আধিকারিকদের সেলুন কার ব্যবহারের উপর রাশ টানছে রেল। শুক্রবার রেল বোর্ড স্পষ্ট এক নির্দেশে জানিয়ে দিয়েছে যে, এই সেলুন কারগুলি আর্থিক লাভের জন্য পর্যটনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। পর্যটকরা ভাড়া দিয়ে এই সেলুন কারে ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নীতীশকুমার এই নীতি নির্ধারণের ডাক দিয়েও সাড়া পাননি। ভাড়া অত্যধিক হওয়ায় সেলুন কার ভাড়া নিতে আগ্রহী হননি পর্যটকরা। সেই নির্দেশনামাকে এখন নতুন রূপে পেতে রেল বোর্ড জানিয়েছে, প্রায় ২০০টি এমন সেলুন কার পর্যটনে ব্যবহার করা হবে।
রাজকীয় ভ্রমণ উপভোগ করতে এই কারের জুড়ি মেলা ভার। কারটিতে থাকে ডাইনিং রুম, রিডিং রুম, বেড রুম, সতীর্থদের বসার মতো উপযুক্ত পরিবেশ ইত্যাদি। তবে ভাড়াও সেই রকম দামি। ফেল নীতীশ জমানায় হালে পানি পাননি। কারণ ভাড়া হওয়ায় আগ্রহ কম ছিল। পাশাপাশি, এই সেলুন কারের অধিকাংশই মেল এক্সপ্রেসের সঙ্গে যুক্ত করার অনুপযুক্ত। ফলে মেল এক্সপ্রেসের উপযোগী করে সেলুন কারগুলি গড়ে তুলতে রেলের প্রচুর অর্থ ব্যয় হবে বলে মনে করেছেন রেলকর্তাদের একাংশ। শুক্রবার রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্দেশে জানিয়েছেন, জিএম ও ডিআরএম প্রতিটি জোন ও ডিভিশনে একটি করে সেলুন কার রাখতে পারবেন। এই কার ব্যবহার করতে হলে আধিকারিককে সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। ইন্সপেকশনের জন্য অবজারভেশন কার ব্যবহার করতে পারবেন। সামনে ও পিছনে জানলাযুক্ত কারে অনেক আধিকারিক যেতে পারবেন। এই ধরনের কার জিএমের কাছে দুটো থাকবে।
প্রতিটি ডিভিশনে সেলফ কাপলড ইন্সপেকশন কার থাকবে। তবে এর জন্য আলাদা ইঞ্জিন দরকার নেই। বর্তমানে এক একজন জিএম-এর কাছে প্রায় দশটি এমন সেলুন কার রয়েছে। ফলে তার অধিকাংশই এখন তুলে দিতে হবে টুরিজমের জন্য। তবে সেলুন কারে এমন রাশ টানা হলে নিরাপত্তা ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন রেলকর্তাদের অধিকাংশই। প্রত্যন্ত অঞ্চলের রেল লাইনের ইন্সপেকশনে আধিকারিকদের যেতে হয়। দু-চার দিন থাকতে হয় সেখানে। তাঁরা সেই সেলুন কারেই থাকেন। সেলুন কারগুলির অভাব হলে এই ইন্সপেকশন ব্যাহত হবে। রেলের চিকিৎসকরা এই কারেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে রেলকর্মীদের চিকিৎসা করেন। সেই কাজও ব্যাহত হবে। এই সেলুন কারের অপব্যবহার খুব বেশি হয় না বলেই তাঁরা মনে করে বলেন, জিএমের অনুমোদন ছাড়া এই কার ব্যবহার করতে পারেন না আধিকারিকরা। তবে এই রাশ টানার নীতিতে খরচ কমানো ও পর্যটনে সেলুন কার ব্যবহারে আর্থিক লাভ খুব একটা হবে না বলেই আধিকারিকদের মত।
[আরও পড়ুন:বাতাসে বিষ, বাঁচার তাগিদে বাজি বয়কট দিল্লিবাসীদের]
সর্বশেষ খবর
-
ডায়মন্ড হারবার মডেলে নতুন বিতর্ক, তৃণমূল প্রধানের বাড়িতে মিলল পুলিশের পোশাক, গুলির খোল!
-
বুড়ো হাড়ে ভেলকি! বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টিতে নেমেই হ্যাটট্রিক শামির, জাতীয় দলের দরজা কি খুলবে?
-
গ্রেপ্তার কলেজ স্ট্রিটের কাউন্সিলর, চাবিওয়ালা ডেকে তালা খুলে বের করল পুলিশ, ‘ডিম থেরাপি’ প্রতিবেশীদের
-
মেসি ফিট হলেও অন্য দুঃসংবাদ আর্জেন্টিনা শিবিরে, চোটে ছিটকে গেলেন তারকা ডিফেন্ডার, পরিবর্ত কে?
-
‘সজলের পুজোয় ঢাক বাজানো-ধুনুচি নাচের নিয়ম জানুন’, সুদীপার নিশানায় ‘মুখোশধারী’ টলিউড