Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
AI intimacy

পর্নোগ্রাফির মতোই AI-তে আসক্ত নবপ্রজন্ম! কতটা ক্ষতিকর? গবেষণায় প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপনিও কি দিনভর মজে থাকেন এআই নিয়ে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
পর্নোগ্রাফির মতোই AI-তে আসক্ত নবপ্রজন্ম! কতটা ক্ষতিকর? গবেষণায় প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য zoom
পর্নোগ্রাফির মতোই আসক্ত করে তুলছে এআই!
Advertisement

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে এআইয়ের ব্যবহার। তবে শুধু যে কাজের ক্ষেত্রে তা কিন্তু নয়। অনেকেই স্রেফ একাকিত্ব কাটাতে সঙ্গী মনে করে কথা বলছে এআইয়ের সঙ্গে। এই নিয়ে এক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যতর তথ্য। গবেষণা বলছে, পর্নোগ্রাফির মতোই নাকি আসক্ত করে তোলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যা কাটিয়ে ওঠা বেশ কঠিন।

পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমানে বহু মানুষই এআইয়ের সঙ্গে প্রেমিক বা প্রেমিকার মতো করে চ্যাট করেন। অর্থাৎ মানসিকভাবে এআই-এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। তাঁরা অবিরত কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে। ঠিক যেন রক্তমাংসের সঙ্গী। জানা গিয়েছে, ভারতে দুটি ভাগে এই নিয়ে গবেষণা চালানো হয়। তাতে ১৫০০ জনের উত্তর নেওয়া হয়। ৪৬% অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক উত্তরদাতাই নাকি বলেছেন, মানসিক বা যৌন মিথস্ক্রিয়ার জন্য এআই ব্যবহার তাদের আসক্তিকর বলেই মনে হয়েছে। ঠিক যেমন পর্নোগ্রাফি। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্যক্তিগত জীবনের একাধিক ক্ষেত্রেও এআই ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ৬০% মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা যৌন পরামর্শ নিচ্ছেন এআইয়ের থেকে। সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ ঠিক করতে ৬৪% মানুষ ব্যবহার করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার। ৫৪ শতাংশের দাবি, তাঁরা এআই সঙ্গীর সঙ্গে ভারচুয়াল যৌন সম্পর্কও স্থাপন করেছে।

Advertisement

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ব্যক্তিগত জীবনের একাধিক ক্ষেত্রেও এআই ব্যবহার করা হয়েছে। প্রায় ৬০% মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা যৌন পরামর্শ নিচ্ছেন এআইয়ের থেকে। সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ ঠিক করতে ৬৪% মানুষ ব্যবহার করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার। ৫৪ শতাংশের দাবি, তাঁরা এআই সঙ্গীর সঙ্গে ভারচুয়াল যৌন সম্পর্কও স্থাপন করেছে।

AI ঘনিষ্ঠতা গোপনই থাকে। তা প্রকাশ্যে আসার সেই অর্থে সম্ভবনা কম। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই আস্ফালন মানুষকে আরও বেশি করে যন্ত্র নির্ভর করে তুলছে। এর ফলে হারিয়ে যাবে মানুষে মানুষে বন্ধন, যা কখনই কাম্য নয়। এবিষয়ে গ্লিডেন ইন্ডিয়ার তরফে সিবিল শিডেল বলেন, “আমরা আবেগগত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। এআই-কে কেন্দ্রকে নিজের দুনিয়া তৈরি করছে নবপ্রজন্ম। প্রযুক্তির মধ্যেই খুঁজে পাচ্ছে কমফোর্ট জোন।” আর এই বিষয়টা অত্যন্ত ক্ষতিকর। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.