সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উৎসব মানে পরিবারের সঙ্গে জমিয়ে সময় কাটানো। তা সে দুর্গাপুজো হোক কিংবা কালীপুজো। দুর্গাপুজো মানে যদি হয় খাওয়াদাওয়া আর প্যান্ডেল হপিং, তাহলে কালীপুজো মানে বাড়ি জুড়ে আলোর রোশনাই এবং বাজি ফাটানো। তবে পরিবেশবান্ধব আতসবাজিতেও রয়েছে ক্ষতির আশঙ্কা। তাই অনেকেই বাড়ির খুদে সদস্যকে বাজি থেকে কিছুটা দূরে রাখতে চান। নিশ্চয়ই ভাবছেন, বাজি ছাড়া কীভাবে দীপাবলিতে আনন্দে মাতবেন? বাজি ছাড়াও জমিয়ে দীপাবলি উপভোগের রয়েছে হাজারও উপায়।
* খুদে সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে গোটা বাড়ি আলোয় মুড়ে ফেলুন। প্রয়োজনে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আলো কেনাকাটি করতে যেতে পারেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখুন অসাবধানতা কোনও বৈদ্যুতিন তারে যেন সে হাত না দিয়ে দেয়। তাতে বিপদ ঘটতে পারে।
* আপনার খুদে কি আঁকিবুঁকিতে পারদর্শী? তবে তাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে রঙ্গোলি করতে পারেন। যেমনই হোক না কেন, তাকে সঙ্গে নিন। তাতে ঘরের লুকই দেখবেন বদলে গিয়েছে।
* বাড়িতে মিষ্টি বানাতে পারেন। তাতে সঙ্গী হিসাবে নিন খুদেকে। বাড়িতে বানানো মিষ্টি যেমন সুস্বাদু হবে। আবার তেমনই ক্ষতিকারকও নয়। দেখবেন, মিষ্টি তৈরি করতে করতেই সময় কেটে যাবে অনেকটা।
* পরিবারের কাছের লোকজনকে নিয়ে হাউস পার্টিতে মেতে উঠতে পারেন। লোভনীয় খাবারেরও বন্দোবস্ত করুন। উৎসবমুখর বাঙালির কাছে এই আয়োজন একেবারে মন্দ নয়।
* ব্য়স্ততার যুগে উৎসব ছাড়া সেভাবে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। পরিবারের খুদে সদস্যকেও যেন সময় দিতে সমস্যা হয়। তাই ছুটির দিনে খোশমেজাজে তার সঙ্গে খেলাধুলো করে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন।
তাই খুদেকে বাজি থেকে দূরে রাখতে চাইলে, ব্যতিক্রমী উপায়ে এভাবেই কাটাতে পারেন দীপাবলি।
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ
-
হোমিওপ্যাথিই শ্রেষ্ঠ! পোস্ট করে বিপাকে অনুষ্কা শর্মা, ‘অশিক্ষিত সেলেব’ বলে কটাক্ষ চিকিৎসকের
-
বঙ্গভবনে ক্ষণিকের ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ই বদলাল রাজ্য রাজনীতির ভাগ্য! ঋতব্রতর আড়ালে কার হাত?