৪ শ্রাবণ  ১৪২৬  শনিবার ২০ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনার জীবনে প্রেম নেই, যৌনতা নেই, আপনি হতাশ..। আপনার সেই হতাশা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। কারণ, সম্প্রতি হু-এর তরফে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যে নির্দেশিকা অনুযায়ী কেউ উপযুক্ত যৌন সঙ্গী জোটাতে না পারলে, বা কারও সঙ্গে এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে যৌন সম্পর্কে যুক্ত থাকার পরও গর্ভধারণ করতে না পারলে সেই ব্যক্তিকে ‘বিকলাঙ্গ’ বলে দেগে দেওয়া হবে। যদিও, এখনও এই নির্দেশিকা লাগু হয়নি। এনিয়ে আলোচনা চলছে।

[আরও পড়ুন: ৪৮ ঘণ্টা অন্তর মিলনেই সর্বাধিক সুখ, দাবি বিশেষজ্ঞের]

জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ যৌনতা। অনেকে বলেন, যৌনতা সকলের অধিকার। যদিও অনেকেই সঙ্গীর অভাবে যৌনতা যথাযথভাবে উপভোগ করার সুযোগ পান না। সঙ্গী থাকলেও কারও কারও ক্ষেত্রে হয়তো তা হয় অনেক বেশি বয়সে। সেক্ষেত্রে কিন্তু এবার থেকে তাঁদের ‘বিকলাঙ্গ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে। এক কথায়, সঙ্গী জোগাড় করার অক্ষমতাকেও এবার বিকলাঙ্গ বলার অন্যতম কারণ বলে ধরে নেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুধু তাই নয়, ঘুরিয়ে প্রজননে অক্ষমতাকেও সেই একই শ্রেণিভুক্ত করা হবে। বলা হয়েছে, কোনও সাধারণ দম্পতি যদি নিয়মিত ১২ মাস যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার পরও গর্ভধারণে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদেরও বিকলাঙ্গ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। তবে, এক্ষেত্রে শর্ত হল, ওই দম্পতিকে অবশ্যই অসুরক্ষিত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে হবে, এবং সন্তান ধারণের চেষ্টা করতে হবে।

[আরও পড়ুন: উদ্দাম যৌনতায় মাততে প্রচুর জল খান, পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের]

ভাবছেন, হঠাৎ কেন এমন বদখত নির্দেশিকা জারি করতে চলেছে WHO? আসলে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাল উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপটি করতে চাইছে। আসলে ‘হু’ প্রত্যেক নাগরিকের প্রজননের অধিকার নিশ্চিত করতে চাইছে। তাই যৌন সঙ্গী জোগাড়ে ব্যর্থ যারা, তাদের চিহ্নিতকরণের জন্য এই উদ্যোগ। তাছাড়া, যারা প্রজননে অক্ষম, তাদের জন্য কৃত্রিম প্রজননের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে চাইছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাই, মূলত চিহ্নিতকরণের জন্য এই নির্দেশিকা। আগামী বছরই গোটা বিশ্বের সব দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকে এই নির্দেশিকা পাঠানো হবে।তাদের সম্মতি মিললেই আইন চালু হবে বিশ্বজুড়ে। তবে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই নির্দেশিকা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং