Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Parenting Tips

কিশোর সন্তান অনলাইনে অচেনা কারও সঙ্গে ব্যস্ত? বকাঝকা না করে বোঝান এভাবে

বহু অভিভাবক কিশোর সন্তানদের বকাঝকা করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৯:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৯:৪৮

options
link
কিশোর সন্তান অনলাইনে অচেনা কারও সঙ্গে ব্যস্ত? বকাঝকা না করে বোঝান এভাবে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনরাত হাতে মোবাইল। নজর শুধু সোশাল মিডিয়ায়। কী যেন টাইপ করে চলেছে অনর্গল। প্রশ্ন করলে বলছে, কোনও বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছে। পাড়ায় বন্ধু হয়তো হাতেগোনা। স্কুল-কলেজের বন্ধুবৃত্তও বেশ ছোট। অথচ ভারচুয়াল দুনিয়ায় সেই কিশোর-কিশোরীরই হাজার হাজার বন্ধু, ফলোয়ার। সারাদিন ধরে তাদের সঙ্গেই চলছে ভারচুয়াল গল্পগুজব। অভিভাবকেরা তা টের পেলে রে রে করে ওঠেন। দুশ্চিন্তায় পাগলপারা দশা! আপনারও কি পারিবারিক ছবি এমই? তবে প্যারেন্টিং বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিশোর সন্তানকে বকাঝকা করবেন না। পরিবর্তে তাকে বোঝান অচেনা, অজানা কারোর সঙ্গে বন্ধুত্বের ভালো ও মন্দ দিকগুলি ঠিক কী।

* অযথা আতঙ্কিত হবেন না। দুশ্চিন্তা করবেন না। সন্তানকে বোঝানোর আগে নিজে শান্ত হোন। চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে শ্বাস নিন।
* এবার সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করুন। তার সঙ্গে বন্ধুর মতো হাবভাব করুন। সোশাল মিডিয়ায় ঠিক কতজন বন্ধু, কারা বেশি ঘনিষ্ঠ, কাদের সঙ্গে বেশি কথা হয়, কী ধরনের কথাবার্তা হয় – সেসব জানার চেষ্টা করুন।
* হয়তো একদিনে সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন না। তাতে কোনও সমস্যা নেই। ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ তথ্য় জানার চেষ্টা করুন। তা বলে কখনই কিশোর সন্তানকে জেরা করবেন না।

Advertisement

Bajrang dal worker arrests for viral Katwa BJP leader's intimate video
* সন্তানের সোশাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত নজর রাখবেন না। ভুলেও তালে লুকিয়ে ফোন ঘাঁটবেন না।
* কখনই বলবেন না, “অনলাইনে তুমি কারও সঙ্গে কথা বলবে না।” বর্তমান যুগে সত্যিই তা আর সম্ভব নয়। কারণ, মোবাইল আর ইন্টারনেটের যুগে সোশাল মিডিয়ায় ব্যস্ত প্রায় প্রত্যেকে। মনে রাখবেন, আপনার সন্তানও সেই ভিড়ের মাঝেই একজন। তাই এভাবে তাকে আলাদা করতে পারবেন না। তাই অযথা সতর্কতায় কোনও কাজ হবে না।
* পরিবর্তে অতিরিক্ত চাপে সন্তানের হিতে বিপরীত হতে পারে।
* যাতে কাউকে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়ে ফেলে সে ব্যাপারে সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। *  কাউকে কোনওরকম ছবি পাঠাতে বারণ করুন।
* না জানিয়ে কোনও সোশাল মিডিয়া বন্ধুর সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতেও বারণ করুন। কারও সঙ্গে কফি শপে কিংবা রেস্তরাঁয় সে যেতেই পারে তবে অবশ্যই বাড়িতে জানিয়ে।
* যদি সোশাল মিডিয়ার কোনও বন্ধু তাকে বিরক্ত করে, তবে অবশ্যই যেন পরিবারের কাউকে জানায় তা বলে রাখুন।

কিশোর বয়সে সকলের মতামত তৈরি হয়। তাই এই সময়ে নিজের মতামত তার উপর বেশি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। পরিবর্তে এই সতর্কতাগুলি অবলম্বন করুন। তাতেই সন্তান থাকবে সুরক্ষিত।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.