Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Toxic Positivity

ভালো থাকার আড়ালে বিষ! সব সময় ‘পজিটিভ’ থাকার নেশায় নিজের ক্ষতি করছেন না তো?

আমাদের চারপাশে এমন বহু বাবা-মা রয়েছেন, যারা প্রতিনিয়ত নিজের সন্তানদের ভাবাবেগকে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কেবল প্রাধান্য দিচ্ছেন অসময়েও 'পজিটিভ' থাকার প্রতিযোগিতাকে। আর এই জোর করে ভালো থাকার চেষ্টাই জন্ম দিচ্ছে ‘টক্সিক পজিটিভিটি’-র। কী এই প্রবণতা? জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:১৮

options
link
ভালো থাকার আড়ালে বিষ! সব সময় ‘পজিটিভ’ থাকার নেশায় নিজের ক্ষতি করছেন না তো? zoom
জোর করে ভালো থাকার চেষ্টাই জন্ম দিচ্ছে ‘টক্সিক পজিটিভিটি’-র! কী এই প্রবণতা? ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

২০১৬ সালের ‘ডিয়ার জিন্দেগি’ সিনেমার কথা মনে পড়ে? কায়রার মা-বাবা সব সময় চাইতেন মেয়ে যেন হাসিখুশি থাকে। পজিটিভ চিন্তাভাবনার মধ্যে ডুবে থাকে। ফলে জীবনের কঠিন বাস্তবকে এড়িয়ে চলার এক প্রবণতা অগোচরে তৈরি হতে থাকে কায়রার মধ্যে। আর এই প্রবণতাই শেষ পর্যন্ত নিজের ভাঙচুরের পথ প্রশস্ত করে তোলে একসময়। আমাদের চারপাশেও এমন বহু বাবা-মা রয়েছেন। যারা প্রতিনিয়ত নিজের সন্তানদের ভাবাবেগকে এড়িয়ে যাচ্ছেন। কেবল প্রাধান্য দিচ্ছেন অসময়েও ‘পজিটিভ’ থাকার প্রতিযোগিতাকে। আর এই জোর করে ভালো থাকার চেষ্টাই জন্ম দিচ্ছে ‘টক্সিক পজিটিভিটি’-র।

Lifestyle Tips: Why Toxic Positivity Is Dangerous
ছবি: সংগৃহীত

ভালো থাকার আড়ালে বিষ?
সব সময় পজিটিভ থাকা সম্ভব নয়, আর থাকাটা স্বাভাবিকও নয়। কোনও এক কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আপনি বুঝতে পারছেন যে কিছু ঠিক হওয়ার নয়, তাও মনকে জোর করে বোঝাচ্ছেন— ‘সব ঠিক আছে’। খারাপের মধ্যেও ভালো খোঁজা ইতিবাচক লক্ষণ নিঃসন্দেহে। কিন্তু ধ্রুব সত্যকে অস্বীকার করে ইতিবাচকতার বুলি আওড়ানোই হল টক্সিক পজিটিভিটি। এতে মানুষ নিজের স্বাভাবিক আবেগ যেমন রাগ, দুঃখ বা কষ্টকে অবদমন করতে শুরু করে। অন্যকেও জোর করে হাসিখুশি থাকার পরামর্শ দেয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কেন এই পলায়নবৃত্তি?
মূলত বাস্তবের মুখোমুখি হতে ভয় পাওয়া থেকেই এই মানসিকতা তৈরি হয়। অনেকে মনে করেন, কষ্টের কথা স্বীকার করলে তারা দুর্বল হয়ে পড়বেন। নিজের আবেগকে অন্যের সামনে প্রকাশ করতে না পারার অক্ষমতা থেকেও মানুষ পজিটিভিটির মুখোশ পরে থাকে। এই লুকোচুরি খেলতে গিয়েই তারা নিজের অজান্তে টক্সিক পজিটিভিটির জালে জড়িয়ে পড়ে।

Lifestyle Tips: Is “toxic positivity” harming you?
ছবি: সংগৃহীত

প্রভাব ও পরিণতি
এর ফল হতে পারে মারাত্মক। নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব না দিলে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। দিনের পর দিন কষ্ট চেপে রাখলে মানুষ ভিতর থেকে শূন্য হয়ে যায়। ব্যর্থতা বা ভুলকে স্বীকার না করলে সেখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যক্তিগত উন্নতি থমকে দাঁড়ায়। এমনকী, নিজের কষ্টের জন্য ব্যক্তি নিজেকেই অপরাধী ভাবতে শুরু করে, যা গভীর হীনম্মন্যতার জন্ম দেয়।

মুক্তির উপায় কী?
জীবন মানেই আনন্দ আর বিষাদের মিশ্রণ। তাই ‘স্টে পজিটিভ’-এর ভিড়ে ‘ইটস ওকে টু নট বি ওকে’ কথাটিও মনে রাখা জরুরি। রাগ বা দুঃখ কোনও পাপ নয়, এগুলো সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। তাই কষ্ট হলে সেটাকে গ্রহণ করুন। প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা ভাগ করে নিন। মনে রাখবেন, কেবল পজিটিভ চিন্তায় সমস্যার সমাধান হয় না, বরং বাস্তবকে মেনে নিয়ে লড়াই করলেই প্রকৃত মুক্তি সম্ভব। সব ঠিক নেই— এই সহজ সত্যিটা মেনে নেওয়াই হোক মানসিক সুস্থতার প্রথম ধাপ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.