BREAKING NEWS

১৯ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ৫ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হিংসার ছবি, সোশ্যাল সাইটে হিংসাত্মক ভিডিও বন্ধের উদ্যোগ

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 16, 2019 9:32 am|    Updated: May 16, 2019 9:32 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ তৈরির মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়া। অথচ সেই সোশ্যাল মিডিয়াকেই কিনা প্রতিমুহূর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে আতঙ্ক, ভয়, মানসিক বৈকল্য কিংবা হিংসা ছড়ানোর মাধ্যম হিসেবে। ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানো, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ এবং নিউজিল্যান্ডের মসজিদের হামলার কায়দায় জঙ্গি হানার লাইভ ভিডিও প্রচার বন্ধ করতে এবার ব্যবস্থা নিতে চলেছে ফেসবুক, গুগল, টুইটার, ইউটিউব, অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, উইকিমিডিয়া, ডেইলিমোশনের মতো বিভিন্ন সংস্থা ও ফ্রান্স, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নরওয়ে, সেনেগাল এবং ইন্দোনেশিয়ার সরকার।

আরওপড়ুন:  Paytm ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর, বাজারে এল ফার্স্ট ক্রেডিট কার্ড]

বুধবার ‘গ্লোবাল ক্রাইস্টচার্চ কল’ নামক এই নির্দেশিকা প্রকাশের উদ্যোগ নিলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আর্ডের্ন এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট। ‘টেক ফর গুড’ নামের এই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্বের প্রায় ৮০টি সংস্থার সিইও-রাও। এই নির্দেশিকাকে সমর্থন করেছে ভারতও। তবে আমেরিকা জানিয়েছে, যে এই উদ্যোগের প্রতি নৈতিক সমর্থন জানালেও এই নির্দেশিকাকে এই মুহূর্তে অনুমোদন করার মতো পরিস্থিতিতে নেই তাঁরা। ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফেসবুক থেকে যাবতীয় চরমভাবাপন্ন ও ক্ষতিকারক ভিডিও দূর করবেন তিনি। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। কম করে ১৫ লক্ষ ওই ভিডিওর কপি ফেসবুক থেকে মুছে ফেলেছে ক্যালিফোর্নিয়ার এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সংস্থা। যদিও নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডের্ন জানিয়েছেন এখনও খুঁজলে ওই ভয়াবহ ভিডিওর লিংক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে ফেসবুকে।

[আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপে হ্যাকারদের হামলা, তথ্য চুরি নিয়ে আশঙ্কায় ১৫০ কোটি ব্যবহারকারী]

আর্ডের্ন জানিয়েছেন ওই ভিডিও দেখার পর নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন মানসিক রোগ নিরাময়ের কেন্দ্রে ৮৮ হাজার ফোন কল গিয়েছে। তবে ফেসবুকের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। আর্ডেনের সুরে সুর মিলিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়াকে বুঝতে হবে, তাদের ব্যবহার কল্যাণের স্বার্থে। ক্ষতির জন্য নয়। এটা কোনও নিয়ম নীতি নয়, এটা আদতে সোশ্যাল মিডিয়াকেও পুরো বিষয়টির মধ্যে টেনে আনা আর তাদের বোঝানো যে সমাজের এই পরিস্থিতিতে তাদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। এর আগেও ভারতে, আমেরিকায় এনিয়ে বহুবার জবাবদিহি করতে হয়েছে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement