Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ট্রোলিং’ রুখতে উদ্যোগ নিল টুইটার কর্তৃপক্ষ

জানেন, কী সেই উদ্যোগ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০১৭, ০৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০১৭, ০৫:০৭

options
link
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ট্রোলিং’ রুখতে উদ্যোগ নিল টুইটার কর্তৃপক্ষ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  নেটদুনিয়ার অত্যন্ত পরিচিত শব্দ ‘ট্রোলিং’। নানা কারণে কাউকে না কাউকে ট্রোল করা বা ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করাটা এখন অভ্যাস পরিণত হয়েছে নেটিজেনদের।  ট্রোলিংয়ের হাত থেকে রেহাই পান না সেলিব্রিটিরাও। দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রীর সামনে পশ্চিমী পোশাক পরায় নেটদুনিয়ায় প্রবল রোষের মুখে পড়েন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। মুসলিম হয়েও কেন হিন্দুদের মতো শাড়ি পরেছেন, এই প্রশ্ন তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করা হয় অভিনেত্রী সোহা আলি খানকেও। এবার সোশ্যাল মিডিয়ার এই ধরনের ট্রোলিং বা আবমাননাকর মন্তব্য রুখতে উদ্যোগ নিল টুইটার কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে নেটিজেনদের সচেতন করতে ‘টুইসার্ফিং’ নামে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

[হাঁটুতে ব্যথা বা হাড়ে চোট! বড় অপারেশন থেকে রেহাই মিলবে কীভাবে?]

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে ট্রোলিং নিয়ে নেটিজেনদের সচেতন করতে অনলাইন ও অফলাইনে বিভিন্ন কর্মশালা যেমন করা হবে, তেমনি টুইটার ব্যবহার করা নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশিকাও জারি করা হবে। বস্তুত গত এক বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং নিয়ে রীতিমতো সমীক্ষা চালিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। ভারতের সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক মহিমা কল বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হয়েছে, ভারতে টুইটার ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। টুইটারের মতো মাইক্রোব্লগিং সাইটে যে নিয়মিত নজরদারি চালানো হয় এবং প্রয়োজনে কোনও ব্যবহারকারীকে যে ব্লকও করে দেওয়া হতে পারে, সেটা অনেকেই জানেন না।’

[জানেন, প্লাস্টিকের বোতল কী বিপদ ডেকে আনছে আপনার জীবনে?]

জানা গিয়েছে, ভারতে টুইটার ব্যবহারকারীদের সচেতন করতে ওয়ার্কশপ করার পরিকল্পনা নিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। তৈরি করা হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকাও। আর এই কর্মসূচি রূপায়ণে  টুইটার কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করছে সেন্টার ফর সোশ্যাল রিসার্চ নামে একটি সংস্থা। সংস্থার কর্ণধার রঞ্জনা কুমারী বলেন,  ভারতে এখন তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশই টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো অ্যাকটিভ। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় শিষ্টাচার কীভাবে বজায় রাখতে হয়, সে সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারনা নেই। তাই ট্রোল করার প্রবণতা বাড়ছে।

[জানেন, কেন অধিকাংশ চালক স্টিয়ারিং হাতেই ঘুমিয়ে পড়েন?]

সারা বিশ্বের এখন টুইটার ব্যবহার করেন প্রায় ৩ হাজার ২৮০ লক্ষ মানুষ। ভারতেও এই মাইক্রোব্লগিং সাইটটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাধারণ মানুষ তো বটেই, ফ্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে টুইটার ব্যবহার করছেন সেলিব্রিটিরাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.