সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজ্ঞান আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ! যুগের উন্নতির সঙ্গে বারবার ঘুরে ফিরে আসে প্রশ্নটা। আর বর্তমানে যেভাবে প্রযুক্তি শয়ে শয়ে চাকরি কাড়তে শুরু করেছে, তাতে চিন্তার ভাঁজ আরও গভীর হচ্ছে। আর এবার আরও বড় আশঙ্কার কথা শোনালেন ক্রেড সংস্থার সিইও কুণাল শাহ। তাঁর দাবি, আগামী ১০ বছরে ৯০ শতাংশ কর্মীই চাকরিহারা হবেন।
যত দিন যাচ্ছে, দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জুড়ে যাচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (AI)। মানুষের নানা সমস্যার সমাধান একনিমেষে করে দিচ্ছে চ্যাট জিপিটি, বার্ড, বিংয়ের মতো AI চ্যাটবটগুলি। যা অশনি সংকেত বলেই মনে করছেন কুণাল শাহ। তাঁর মতে, আগামী ১০ বছরে কর্মীদের কাছে ভিলেনে পরিণত হবে এই প্রযুক্তি। যতই বলা হোক, এআই হাজারো কাজ করতে পারলেও তা কখনওই মানুষের পরিবর্ত হতে পারবে না। কুণাল শাহ কিন্তু তেমনটা মনে করছেন না।
[আরও পড়ুন: রাম হয়ে বিতর্কে জড়ান, ‘আদিপুরুষ’কে অতীত করে এবার জটাধারী শিব অবতারে প্রভাস!]
এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমরা এখনও এআইয়ের বিপদটা বুঝতেই পারছি না। অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানাচ্ছি, যারা বর্তমানে চাকরি করছেন, এখন থেকে আগামী ১০ বছরে তাদের ৯০ শতাংশই কাজ হারাবেন।” অনেকের আবার দাবি, যাঁরা এআই প্রযুক্তিতে শিক্ষিত হয়ে উঠছে, তাঁদের কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু এই যুক্তিরও বিরোধিতা করছেন কুণাল শাহ। তাঁর মতে, যে দ্রুততার সঙ্গে এই প্রযুক্তি মানুষের কাজ শিখে ফেলছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে তা মানুষের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
উল্লেখ্য, এর আগে বিবেক দংশনে ভুগে গুগলের মোটা বেতনের চাকরি ছেড়েছিলেন আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জিওফ্রে হিন্টন (Geoffrey Hinton)। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিবিদও দাবি করেছিলেন, এআই (AI) নিয়ে উৎকণ্ঠায় ভুগছেন তিনি। এই প্রযুক্তিতে চাকরি যাবে বহু মানুষের।
[আরও পড়ুন: কেন ভারত-পাক হাইভোল্টেজ ম্যাচে ফাঁকা কলম্বোর স্টেডিয়াম? জানা গেল আসল কারণ]
সর্বশেষ খবর
-
শেষ সূর্য জমানা! ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স, প্রথমবার জাতীয় দলে বৈভব
-
আউট হয়েও বাঁচলেন ‘ধুরন্ধর’ রাহুল! ‘ওকে অস্কার দাও’, বললেন প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা
-
শওকত মোল্লাই ‘মূল সন্দেহভাজন’, ভাঙড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডে বিবৃতি জারি এনআইয়ের
-
‘পশ্চিমবঙ্গে ডিম এখন খুব সস্তা’, চড়া সুর যশের, বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই ‘জেগে উঠলেন’?
-
প্রোপাগান্ডা রাজনীতি গণতন্ত্রের অংশ নয়, পথ দেখাচ্ছে হাঙ্গেরি