Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
WhatsApp

হোয়াটসঅ্যাপে সাবধান! ‘এক দেশ এক পড়ুয়া’ আইডির ফাঁদ পাতছে হ্যাকাররা, কী লেখা মেসেজে?

'হ্যাকারদের ফাঁদ' মোকাবিলায় কী করণীয়? জানাচ্ছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৮:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৮:৪০

options
link
হোয়াটসঅ্যাপে সাবধান! ‘এক দেশ এক পড়ুয়া’ আইডির ফাঁদ পাতছে হ্যাকাররা, কী লেখা মেসেজে? zoom
ফাইল ছবি

হোয়াটসঅ্যাপে হ্যাকারদের ফাঁদ পাতার বিষয়টা নতুন নয়। এর আগে শোনা গিয়েছে এক্সক্লুসিভ অফার, ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাকের মতো লোভনীয় সব প্রস্তাব দিয়ে বোকা বানানো হচ্ছে ইউজারদের। অনেক সময় স্রেফ একটা ছবিতে ক্লিক করলেই ঘটে যাচ্ছিল অনর্থ। কিন্তু জানেন কি, এবার হ্যাকারদের টার্গেট পড়ুয়ারা! কেন্দ্রের ‘এক দেশ এক পড়ুয়া’ আইডির ফাঁদে ফেলা হচ্ছে তাদের।

কীভাবে পাতা হচ্ছে ফাঁদ

Advertisement

জানা গিয়েছে, পড়ুয়ারা একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাচ্ছে। তাতে লেখা ‘আপনার APAAR ID :’… এবর শেষে একটি ১২ অঙ্কের সংখ্যা লেখা। তারপর লেখা রয়েছে, ‘আইডিটি সফল ভাবে জেনারেট করা হয়েছে। এবং এখন তা আপনার ডিজিলক অ্যাকাউন্টের ইস্যুড ডকুমেন্ট সেকশনে লভ্য।’ সেই সঙ্গে উল্লিখিত হচ্ছে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান স্টুডেন্ট আইডি’। পাশাপাশি অনুরোধ করা হয়েছে এর সুবিধা নিতে হলে আগে ইকেওয়াইসি জমা দিতে হবে আধার ব্যবহার করে। এই মেসেজ ‘ভ্যারিফায়েড’ সরকারি অ্যাকাউন্ট থেকেই যাচ্ছে বলে ভুল বুঝছে সকলেই। ফলে এটা যে আদপে ‘জালিয়াতি’ তা বোঝা যাচ্ছে না। অনেকেই দাবি করছে, তারা এই মেসেজ পেয়েছে। কিন্তু APAAR ID চেয়ে আদৌ তারা কোনও আবেদন করেনি। এবং স্কুল থেকেও এই ধরনের কোনও মেসেজ পায়নি।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের মেসেজ পেলে অবশ্যই সাবধান হতে হবে। মনে রাখতে হবে, সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমেই সাধারণ সরকারি বিজ্ঞপ্তি বা বার্তা আসে। কখনওই ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ হিসেবে তা আসে না। কাজেই এমন মেসেজ পাঠিয়ে কেওয়াইসি চেয়ে আধারের বিবরণ বা ওটিপি চাইলে একেবারেই সাড়া না দিতে। এই ধরনের বার্তা আসলে ‘ফাঁদ’! কাজেই সাধু সাবধান।

‘হ্যাকারদের ফাঁদ’ মোকাবিলায় কী করণীয়?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পডুয়ারা তো বটেই, তাদের মা-বাবাকেও সতর্ক থাকতে হবে। কোনও ধরনের ওটিপি, আধার নম্বর অথবা ব্যাঙ্ক ডিটেইলস- এই ধরনের সংবেদনশীল তথ্য একেবারেই শেয়ার করবেন না। এবং অন্য কোনও ধরনের অ্যাকাউন্ট থেকেও এই ধরনের তথ্য শেয়ার করবেন না। মনে রাখতে হবে, হ্যাকাররা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে নানা ধরনের ফাঁদ পাতছে। তাই কোনও ধরনের তথ্যই শেয়ার করার আগে ভাবুন। সামান্য ভুলেই হতে পারে সর্বনাশ!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.