Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Chinese App

চিনা ডেটিং অ্যাপের চক্র, ফাঁদে পড়ে ফাঁকা হচ্ছে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট

প্রায় তেরোশো কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চিনা প্রতারকরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২, ১২:১৫

options
link
চিনা ডেটিং অ্যাপের চক্র, ফাঁদে পড়ে ফাঁকা হচ্ছে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিন (China) থেকে পরিচালিত কয়েকশো অ‌্যাপ ব‌্যবহার করে চলছে আর্থিক দুর্নীতি। ভারত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। তদন্তে নেমে এমনই তথ‌্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট বা ইডি। ইডির তদন্তে জানা গিয়েছে, বহু ভারতীয় কোম্পানির টাকা এই সমস্ত অ‌্যাপের মাধ‌্যমে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। আর এর সবটাই পরিচালিত হচ্ছে চিন থেকে।

ফিনান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা এফআইইউ-এর তরফ থেকে দেওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা ছাড়াও বেটিং এবং ডেটিং অ‌্যাপের মাধ‌্যমেই প্রধানত বাইরে যাচ্ছে টাকা। এমনকী চার্টার্ড অ‌্যাকাউন্টট‌্যান্টদের সাহায‌্যও নেওয়া হচ্ছে এই কাজে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংস্থার ‘ডামি’ ডিরেক্টরদের যুক্ত করা হচ্ছে সংস্থার সঙ্গে। পরে চিনা নাগরিকরা ভারতে এসে সেই সমস্ত সংস্থার ডিরেক্টর পদে আসীন হচ্ছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গেমিং অ্যাপে লোক ঠকিয়ে কোটি-কোটি টাকার মালিক গার্ডেনরিচের ব্যবসায়ী, কীভাবে চলত চক্র?]

কয়েকশো অ‌্যাপ (Chinese App) এই ধরনের কাজে যুক্ত রয়েছে বলে জানতে পেরেছে ইডি (ED)। শুধু মাত্র বেটিং অ‌্যাপ দিয়েই ১৩০০ কোটি টাকা বেরিয়ে গিয়েছে বলে ইডি জানতে পেরেছে। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, “নিষিদ্ধ বেটিং অ‌্যাপ চালানো ছাড়াও হাওয়ালা মারফত টাকা লেনদেনেও এদের হাত রয়েছে বলে তথ‌্য মিলেছে।”

শুধুমাত্র বেটিং বা ডেটিং অ্যাপ নয়, ক্ষুদ্র পরিমাণে ঋণ দেওয়ার নামেও একইভাবে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্র চলছে দেশজুড়ে। রবিবার নয়ডা ও গুরুগ্রামে তল্লাশি চালিয়ে চারজন ব্যক্তিকে আটক করেছে স্থানীয় সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। জানা গিয়েছে, চিনা অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হত। সেই দেখে সাধারণ মানুষ ঋণ নিতেন। 

ঋণের প্রক্রিয়া মেনেই ফোন নম্বর এবং অন্যান্য নথিপত্র জমা দিতেন তাঁরা। তারপরেই চিনা অ্যাপের তরফে ঋণগ্রহীতাকে ফোন করে উত্যক্ত করা হত, বিকৃত ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হত। ফলে ভয় পেয়ে অত্যধিক পরিমাণে টাকা দিতে বাধ্য হতেন ঋণগ্রহীতারা। 

[আরও পড়ুন: বেআইনি ঋণপ্রদানকারী অ্যাপে ছেয়ে গিয়েছে বাজার! বড়সড় পদক্ষেপ করার মুখে কেন্দ্র]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.