৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজকের দিনে আপডেট থাকতে সোশ্যাল মিডিয়ার অবদান যে সবচেয়ে বেশি, তা নিয়ে সংশয় নেই বিন্দুমাত্র৷ তবে আশঙ্কা অন্যত্র৷ তাড়াতাড়ি সব খবর হাতের মুঠোয় রাখার জন্য ভুল তথ্য না হাতে চলে আসে এবং তা মানুষকে বিভ্রান্ত না করে৷ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর রুখে দেওয়া যায় সহজেই৷ এবং তাতে ব্যবহারকারীদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷

[আরও পড়ুন : ভুয়ো খবর রুখতে পলিসি মেনে কাজ করছে ফেসবুক]

অনেক সময় ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, নৃশংস ভিডিও, পর্নোগ্রাফির মতো বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ে অচিরেই৷ ফেসবুকের নজরে পড়ামাত্রই তা পাতা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়৷ এটি সচেতনতার বিষয়৷ তবে সচেতনতার পাশাপাশি সাধারণ ইউজারদের জন্য প্রযুক্তিরও হদিশ দিচ্ছে ফেসবুক৷ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, কম্পিউটারে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া রোখা যেতেই পারে৷ বলা হচ্ছে, যা কিছু খারাপ, তা সবচেয়ে দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে৷ কারণ, খারাপ বিষয় ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না৷ তাই তা ছড়ানোর আগেই রুখতে হবে৷

উদাহরণ হিসেবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তুলে ধরছে আত্মহত্যার কথা৷ আত্মহত্যা এমনই একটি স্পর্শকাতর বিষয়, যার উপর জীবন এবং মৃত্যু একেবারে নির্ভরশীল৷ তাই কেউ যদি ফেসবুকে আত্মহত্যা করবে বলে ঘোষণা করে, তাহলে একটি উদ্ধারকারী দলও তৈরি থাকে, যারা দ্রুতই ইউজারকে বাঁচাতে পারবে৷ আর সেই দলটি তৈরি করতে এগিয়ে আসতে হবে বাকি ইউজারদের৷ যাতে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটতে না ঘটতে তা নিয়ে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ে৷  

[আরও পড়ুন : জানেন, ভুয়ো খবর ছড়াতে ফেসবুককে কীভাবে সাহায্য করেন ইউজাররা?]

ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া রুখতে আরও একটি সহজ পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷ বলা হচ্ছে, কোনও বিষয়ে একেবারে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা শেয়ার করবেন না৷ নিশ্চিত হতে আরও বেশি বেশি তথ্য জানার চেষ্টা করতে হবে৷ মানুষের মনের উপর কোনও নৃশংস ঘটনার প্রভাব কীভাবে পড়তে পারে, তা নিয়েও একটি দল কাজ করবে৷ আর সেই সমীক্ষা অনুযায়ী ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়া রুখতে তৎপর হতে হবে৷ সর্বোপরি, প্রযুক্তিকে সফলভাবে কাজ করতে হলে, আরও বেশি প্রশিক্ষিত হতে হবে৷ ভাষা, শব্দ প্রয়োগে আরও সচেতনতা প্রয়োজন৷ ফেসবুকের নিজের দখলে যে শব্দভাণ্ডার আছে, তা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার চেয়ে অনেকটাই বেশি৷ তাই কোনও আপত্তিকর শব্দ ফেসবুক কর্তৃপক্ষের নজর এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়৷ অন্যান্য মিডিয়াকেও এই শব্দভাণ্ডারের আয়তন বাড়াতে হবে৷ এসব নিয়মমতো মেনে চললেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর, অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়া রোখা যেতে পারে৷ সকলকেই এবিষয়ে সতর্ক হতে হবে৷ কোথাও কোনও সন্দেহজনক তথ্য দেখলেই তা বিচারবুদ্ধি দিয়ে নিজেদের উদ্যোগী হয়ে রুখে দিতে হবে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং