সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকমাস ধরেই একের পর এক ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ছে ভারতের বিভিন্ন উপকূলে। এর ফলে বর্ষার সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। হচ্ছে প্রচণ্ড ঝড়ও। এর ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে প্রচুর মানুষকে। তবে গত এক বছরে হয়ে যাওয়া পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন নানা প্রান্তের মৎস্যজীবীরা। বারবার প্রকৃতি অশান্ত হওয়ার ফলে রুটি-রুজিই বন্ধ হতে বসেছে অনেকের। কারণ, ঘূর্ণিঝড়ের আভাস পাওয়ামাত্রই সমুদ্রে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। আর গত এক বছরে ঘনঘনও জারি হয়েছে তা। আর সেই সতর্কবার্তা না মেনে যারা সমুদ্র মাছ ধরতে বেরিযেছেন তাঁদের অনেকের বাড়ির লোকেরই রাত কেটেছে দুশ্চিন্তায়। তবে এখন থেকে আর প্রিয়জনের জন্য চিন্তা করে সময় কাটাতে হবে না তাঁদের। কারণ, মৎস্যজীবীদের এই ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করার জন্য এবার থেকে একটি স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেমের সাহায্য নিতে চলেছেন ইন্ডিয়ান সুনামি আর্লি ওয়ার্নিং সেন্টারের বিজ্ঞানীরা। আবিষ্কার করেছেন জেমিনি নামে মুশকিল আসানকারী একটি যন্ত্র।
[আরও পড়ুন: বাসে ভিড়? অ্যাপের মাধ্যমে সতর্ক করবেন যাত্রীরাই]
ওই সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন সমুদ্র উপকূল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে গেলেই মোবাইলে টাওয়ার পেতেন না মৎস্যজীবীরা। ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন হলে বা সতর্কতা জারির কথা জানতে পারতেন না। কিন্তু এবার থেকে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন তাঁরা। আর এর থেকে তাঁদের মুক্তি দেবেন মাত্র ৯ হাজার টাকা মূল্যের একটি ছোট্ট যন্ত্র জেমিনি। এতদিন বিমান বন্দরগুলিতে প্লেন ওঠানামার কাজে ব্যবহার করা হত তাকে। একটু এদিক-ওদিক করে এবার থেকে লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবীর প্রাণ বাঁচানোর কাজে ব্যবহার হবে যন্ত্রটিকে।
জেমিনি নামে এই যন্ত্রটি মাসদুয়েক আগে তৈরি করেছেন সংস্থার বিজ্ঞানীরা। মোবাইল ফোনের ব্লু টুথের মাধ্যমে এটি সরাসরি কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করবে। এর ফলে ফোনের সিগন্যাল না থাকলেও কোন সমস্যা হবে না।
[আরও পড়ুন: রিচার্জ করলেই মিলবে ৪ লক্ষ টাকার বিমা, দুর্দান্ত অফার এয়ারটেলের]
এপ্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান মন্ত্রকের মন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানান, এর ফলে আগামীতে প্রচুর মানুষকে বাঁচানো যাবে। অনেক আগেই সুনামি সম্পর্কে সতর্ক করবে এই যন্ত্র। তবে আরও আগে একে হাতে পেলে ভাল হত। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে ওচি ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ভারতের পশ্চিম উপকূলে ২১৮ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। তখন এই যন্ত্রটি হাতে পেলে ওই মানুষগুলিকে রক্ষা করা যেত।
সর্বশেষ খবর
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের
-
উন্নত রাডারেও অদৃশ্য! চিন-পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে ভারতকে সু-৫৭-এর প্রস্তাব পুতিনের