Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

গুগল ডুডলে আজ শ্রদ্ধা ভারতীয় মহীয়সীকে, তাঁর কীর্তি জানলে তাক লাগবে

তাঁর জীবনের কথা জানলে কুর্নিশ জানাবেন আপনিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৩:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৩:৪১

options
link
গুগল ডুডলে আজ শ্রদ্ধা ভারতীয় মহীয়সীকে, তাঁর কীর্তি জানলে তাক লাগবে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বম্বে ইউনিভার্সিটির তিনিই প্রথম মহিলা স্নাতক। দেশের প্রথম মহিলা হিসেবে তিনিই প্রথম কোনও ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। অক্সফোর্ডে আইন পড়া মহিলাদের মধ্যে তিনিই প্রথম। দেশের প্রথম মহিলা আইনজীবী তো বটেই। ভারত ও ব্রিটেনে সমান্তরালভাবে ওকালতি করার ক্ষেত্রেও তিনিই প্রথম মহিলা। তিনি কর্নেলিয়া সোরাবজি। আজ তাঁর জন্মদিনে ডুডলে শ্রদ্ধা গুগলের।

[ রক্ত ঝরবে কুম্ভ মেলায়, চরম হুঁশিয়ারি আইএস জঙ্গিদের ]

Advertisement

জন্ম ১৮৬৬ সালের ১৫ নভেম্বর, নাসিকে। বাবা রেভারেন্ড সোরাবজি কারসেদজি ছিলেন একজন মিশনারি। মা ফ্রান্সিনা ফোর্ডের বেড়ে ওঠা আবার ব্রিটিশ ঘরানায়। এক ব্রিটিশ দম্পতি তাঁকে দত্তক নিয়েছিল। এহেন মা-বাবার কারণেই তাঁদের পরিবারটি ছিল অন্যরকম। শিক্ষা-দীক্ষা, রুচি-সম্ভ্রম সবকিছুতেই পরিবারের এই স্বতন্ত্র পরিবেশ ছোটবেলা থেকে কর্নেলিয়াকে অন্যরকমভাবে তৈরি করেছিল। পেয়েছিলেন পরিশীলিত মনন ও মেধার উত্তরাধিকার। যার ফলশ্রুতি পরবর্তী জীবনের সাফল্য। কর্নেলিয়ার মা পুণেতে নারীশিক্ষার প্রসারে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। অন্যদিকে বাবা মিশনারী হওয়ার কারণে বম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলেন কর্নেলিয়া। বাকিটা তাঁর মেধা, জেদ ও পরিশ্রম। আর তাই একের পর এক সাফল্য অর্জন করেছেন। শুধু সাফল্য বললে কম বলা হয়, প্রতিটিই ছকভাঙা। প্রথম মহিলা হিসেবে তিনি নজির গড়েছেন। অর্থাৎ এর আগে যা কেউ ভাবতে পারেননি, তা তিনি করেছেন। দেশের নারীদের মুক্তির পথ দেখাতে পেরেছেন।

ভক্তদের থেকে বকশিশ দাবি, তিরুপতি মন্দিরের ২৪৩ জন ক্ষৌরকারকে ছাঁটাই ]

আইনজীবী হিসেবেও নিজের সমাজসেবার লক্ষ্য থেকে চ্যুত হননি। বহু মহিলা ও অনাথ বাচ্চাদের হয়ে তিনি মামলা লড়েছেন। এই কলকাতাতেও প্র্যাকটিস করেছেন। বলা বাহুল্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তাঁকে সহজে মেনে নেয়নি। কোণঠাসা করে দেওয়ার নানা ছক কষা হয়েছে। কিন্তু দমেননি কর্ণেলিয়া। নিজের জেদে কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকেও সমর্থন জানিয়েছেন। যদিও পরের দিকে হিন্দু গোঁড়ামি, জাতীয়তাবাদের নামে বৈচিত্র ধ্বংসের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে বর্ণময় কর্মজীবন। ঈর্ষণীয় সাফল্য। তবে ভারতে নারীর ক্ষমতায়ন ও মুক্তির ক্ষেত্রে তিনি যে অন্যতম আলোর দিশারী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

‘গরু মা বটে তবে পিরিয়ড হয় না’, জিএসটি নিয়ে কেন্দ্রকে কটাক্ষ আপ নেত্রীর ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.