২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৯  বৃহস্পতিবার ৮ ডিসেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মাস্কের কঠোরতার বিরুদ্ধে টুইটারে শুরু গণ ইস্তফা, ‘উদ্বিগ্ন নই,’ দাবি ধনকুবেরের

Published by: Biswadip Dey |    Posted: November 18, 2022 10:39 am|    Updated: November 18, 2022 10:39 am

'Not super worried', Elon Musk on mass resignations at Twitter। Sangbad Pratidin

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টুইটার (Twitter) ঘিরে অশান্তির আঁচ কমার নামই নেই। শীর্ষস্থানীয় মাইক্রোব্লগিং সাইটটি কেনার পরই মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে প্রায় অর্ধেক কর্মী ছাঁটাই করে ফেলেছেন ধনকুবের এলন মাস্ক (Elon Musk)। সেই সঙ্গে বাকিদেরও ‘কঠোর পরিশ্রম’ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এরপরই শয়ে শয়ে কর্মীরা ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন। কিন্তু তাতেও নিস্পৃহ মাস্ক। জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এসবে আদৌ উদ্বিগ্ন নন।

মাস্ক টুইটারে একটি পোস্টে লিখেছেন, ”সেরা কর্মীরা রয়ে গিয়েছে। তাই আমি খুব একটা উদ্বিগ্ন নই।” তবে তিনি একথা বললেও গণ ইস্তফার ধাক্কায় টুইটারের বহু অফিসই কিন্তু বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, টুইটার কেনার পরই যেভাবে মাস্ক ছাঁটাই শুরু করেছিলেন তার ফলে যে জনরোষ তৈরি হয়েছে তা ভালই বুঝছেন তিনি। এহেন পরিস্থিতিতে নিজেকে নিরুগ্বেদ দেখানোর কৌশলেই মাস্ক এমন টুইট করছেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

[আরও পডুন: ফের বাড়ল ED শীর্ষকর্তার মেয়াদ, বিরোধী নেতার বিরুদ্ধে মামলার ধারাবাহিকতা রাখতেই সিদ্ধান্ত?]

আসলে আগেই শোনা গিয়েছিল কয়েকদিনের মধ্যে ফের বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছে টুইটার। ইতিমধ্যেই কর্মীদের অফিসে এসে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। সপ্তাহে কমপক্ষে ৪০ ঘণ্টা অফিসে থাকতেই হবে, নিদান দিয়েছেন মাস্ক। যেভাবেই হোক, সংস্থার আয় বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন টুইটারের নয়া মালিক। সেই জন্যই লাগাতার ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি কর্মীদের উপরে অত্যধিক কাজের চাপ দিচ্ছেন মাস্ক। তাঁর নয়া নীতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন একের পর এক শীর্ষ আধিকারিক। ভবিষ্যতে কোন পথে হাঁটবে টুইটার, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ওয়াকিবহাল মহলে।

ইতিমধ্যেই মাস্ককে প্রভূত সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে। তিনি দায়িত্ব নিয়েই জানিয়েছিলেন, ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট পাওয়ার পদ্ধতি বদলাতে চলেছে। টাকা দিলেই মিলবে ব্লু টিক। টাকার বিনিময়ে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট নিলে মিলবে অনেক সুবিধাও। সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, ব্লু টিক কেবলমাত্র অর্থের বিনিময়ে পাওয়ার এই নিয়ম থেকে বিপত্তি হতে পারে। নানা ধরনের ভুয়ো তথ্য ছড়ানো হতে পারে এর সাহায্যে। তাঁদের উদ্বেগ যে অমূলক নয়, তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে এই ক’দিনেই।

[আরও পডুন: সব বিএড ডিগ্রিধারীই এবার বসতে পারবেন টেটে, নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে