সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেতন থেকে শুরু করে যাবতীয় কর্মী পরিষেবায় সুনাম রয়েছে টাটা গ্রুপের (TATA Group)। সেই তারাই এবার কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে কড়া চিঠি ধরালো। সেখানে বলা হয়েছে, বেতনে কোপ পড়তে পারে, কমানো হতে পারে ছুটিও, যদি না শৃঙ্খলা মানেন কর্মীটি। ভারতের বৃহত্তম আইটি সংস্থা হল টিসিএস (TCS)। তারাই এবার এমন বার্তা পাঠিয়ে সাবধান করেছে নিজেদের কর্মীদের। কিন্তু কেন?
কোভিড মহামারীর পর থেকেই টাটার তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় শুরু হয়েছিল ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (Work From Home) পদ্ধতিতে কাজ। সংস্থার অভিযোগ, মহামারী ফুরোলেও অফিসে আসতে চাইছেন না বেশ কিছু কর্মী। যদিও প্রতি মাসে অন্তত ১২ দিন অফিসে এসে কাজ করার বিষয়ে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নতুন করে টিসিএসের তরফে জানানো হয়েছে, ওয়ার্ক ফ্রম হোম পদ্ধিতে কাজ করা যাবে, তবে মাসে কমপক্ষে ১২ দিন অফিসে আসতেই হবে। এই নিয়ম লঙ্ঘন করায় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেটে নেওয়া হতে পারে বেতন, কাটছাট হাতে পারে ছুটিতেও। চিঠিতে লেখা হয়েছে, “আপনাকে সতর্ক করা হয়েছে এবং অবিলম্বে নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী অফিসের ঠিকানা থেকে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।”
[আরও পড়ুন: ‘বিদেশে গেলেই জিন্নার আত্মা ভর করে রাহুলের উপরে’, মোদির সমালোচনার পালটা বিজেপির]
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসেই নির্দেশিকা জারি করে টিসিএস জানিয়েছিল, কর্মীদের কমপক্ষে ৩ দিন অফিসে আসতে হবে। কিছুদিন আগে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, অসুস্থতা ছাড়া ওয়ার্ক ফ্র হোম পদ্ধতিতে কাজের বিষয়ে উৎসাহিত করা হবে না। নয়া নির্দেশিকায় সংস্থাটি জানিয়েছে, কোম্পানি চায় গত দুই বছরে যে কর্মীরা টিসিএসে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা ভারতের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি সংস্থার অফিসের আবহাওয়া উপভোগ করুন।
[আরও পড়ুন: বাংলার নিয়োগ দুর্নীতির আঁচ উত্তরাখণ্ডের পাহাড় চূড়ায়, পোস্টারে প্রতিবাদ চাকরিপ্রার্থীদের]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধের জেরে সংকটে দেশের অর্থনীতি! বিদেশি বিনিয়োগ টানতে বড় পদক্ষেপ মোদি সরকারের
-
ধর্ষণের পর গলায় লেগিংস পেঁচিয়ে খুন! দিনহাটার পাটক্ষেতে উদ্ধার নাবালিকার দেহ, ক্ষোভ গ্রামবাসীদের
-
‘সিস্টেম সঙ্গে নেই, এক বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না মোদি’, বিস্ফোরক দাবি রাহুলের
-
আগামী সপ্তাহেই ‘অপারেশন লোটাস’! ভাঙার অপেক্ষায় তৃণমূলের সংসদীয় দলও, তালিকায় কারা?
-
হাজিরা দিলেই গ্রেপ্তারির আশঙ্কা, মেসি কাণ্ডে সমন এড়ালেন ‘অসুস্থ’ অরূপ বিশ্বাস, ক্ষুব্ধ শতদ্রু