সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পথ হারিয়েছে ‘পথদিশা’ (PathaDisha)। স্মার্টফোনে অ্যাপ খুলেও মিলছে না বাসের হদিশ। ফলে বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘক্ষণ স্টপেজে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিধিনিষেধ ওঠার পর রাস্তায় এমনিতেই বাস কম। তার উপর সরকারি এই অ্যাপে (Mobile App) কোনও বাসেরই সঠিক অবস্থান দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
যাত্রীদের অভিযোগ, বিগত কয়েক বছর ধরে তাঁরা স্টপেজে দাঁড়িয়ে আগে থেকে বাসের (Bus) অবস্থান জানতে পারতেন। সেই মতো অপেক্ষা করতেন। নয়তো অন্য বাস ধরতেন। কিন্তু এখন কার্যত কিছুই দেখা যাচ্ছে না অ্যাপে। যাত্রীরা পড়ছেন সমস্যায়। তাঁদের বক্তব্য, তাহলে এমন অ্যাপ চালুর দরকার কী! শুধু তাই নয়, বাসের টিকিট কাটতে চালু হওয়া অ্যাপ ‘চলো’র অবস্থাও খুব খারাপ। যাত্রীদের অভিযোগ তাতে টিকিট আগে থেকে কেটে নেওয়ার যে সুযোগ ছিল, তাও পাওয়া যাচ্ছে না।
[আরও পড়ুন: বদলির প্রতিবাদে বিকাশ ভবনের সামনে বিষ খেয়ে ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’ ৫ শিক্ষিকার]
বাসের সঠিক অবস্থান জানতে বছর তিনেক আগে চালু হয়েছিল ‘পথদিশা’ অ্যাপ। রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের তরফে তৈরি এই অ্যাপ দিন দিন যাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়। গোটা দেশে প্রশংসিতও হয়েছে। কিন্তু বিপত্তি বেধেছে গতবছর লকডাউনের পর থেকেই। যে উদ্দেশে বানানো হয়েছিল অ্যাপ, সে সুবিধাই আর মিলছে না। সরকারি বাস দেখা যাচ্ছে না পথদিশা অ্যাপে।

সূত্রের খবর, এই বাস না দেখা যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, বাস ছাড়ার পর ডিপোয় থাকা স্টার্টার তা নিজস্ব অ্যাপে ইনপুট করছেন না। ফলে তা দেখা যাচ্ছে না পথদিশাতেও। কখনও সখনও বাস দেখা গেলেও দেখা যাচ্ছে না তা কোন দিকে যাচ্ছে। সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা। তাছাড়া এই অ্যাপ যখন চালু হয়েছিল, তখন পুরনো সরকারি বাসে একটা করে মোবাইল দেওয়া হয়েছিল। জিপিএসের মাধ্যমে সেই বাস ট্র্যাক হচ্ছিল। আর নতুন সরকারি বাসে ছিল ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম।
[আরও পড়ুন: Viral Video: জুম কলে বৈঠক চলাকালীনই উদ্দাম যৌনতায় মাতলেন স্কুলের শিক্ষিকা]
পরিবহণ দপ্তরের কর্তারা জানাচ্ছেন, বেশিরভাগ বাসেরই এই ট্র্যাকিং সিস্টেম খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর যেগুলোতে মোবাইল ছিল সেগুলোও বিকল হয়েছে বেশিরভাগ। তাতেই বিপত্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যাত্রীরা পড়ছেন মহা সমস্যায়। নিয়ম হচ্ছে, যে বাস ডিপো থেকে বেরোবে, সেই বাসের নম্বর এবং রুট সঙ্গে সঙ্গে স্টার্টার অ্যাপে ইনপুট করতে হবে। তা হলেই পথদিশায় বাসের গতিবিধি যাত্রীরা দেখতে পাবেন। কিন্তু তা হচ্ছে না বলেই অভিযোগ। প্রথমে কলকাতার সরকারি বাস। তারপর উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বাসকেও এই অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আর তারও পরে বেসরকারি বাসকে। যে সংস্থাকে দিয়ে অ্যাপ বানানো হয়েছে, তারা বিষয়টি জানলেও তাদের কিছু করার নেই বলে জানানো হয়েছে। কারণ ওই সংস্থার আধিকারিকদের দাবি, অ্যাপ তৈরির দায়িত্ব তাঁদের। কিন্তু তা পরিচালনা করার দায়িত্ব পরিবহণ দপ্তরের।
সর্বশেষ খবর
-
ঘাম ঝরিয়ে ক্র্যাম্প? শরীরের ইলেকট্রোলাইট ফেরাবে এই ৩ পানীয়
-
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গুজরাটে যেতেই বিতর্ক! এবার অনুষ্ঠান নিয়ে বিরাট সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
-
‘ছাড়া পেলে ওর সুগার ড্যাডিকেও খুন করব’, হুঁশিয়ারি স্ত্রীর মাথা কেটে ফ্রিজে রাখা যুবকের
-
‘নোটিস যাবে, পরে বুলডোজার চলবে’, বেআইনি নির্মাণ রুখতে হুঁশিয়ারি দিলীপের
-
৩৮ বছরে প্রথম! এলটিটিই-র রক্তাক্ত অতীত পেরিয়ে শ্রীলঙ্কায় ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী, কেন চিন্তায় চিন?