সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আত্মপ্রকাশের পরই দ্রুত ভারতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ফটো শেয়ারিং অ্যাপলিকেশন স্ন্যাপচ্যাট। এই অ্যাপের খুব বড় একটা আকর্ষণ ছিল, ছবি বা ভিডিওর বিনামূল্যের ব্যাকআপ। কিন্তু সেদিন শেষ হতে চলেছে। সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবার থেকে মেমোরি স্টোরেজ করতে গেলে খসাতে হবে গ্যাঁটের কড়ি।
যেভাবে গুগল ক্লাউড ও আইক্লাউডে টাকার বিনিময়ে স্টোরেজ পাওয়া যায়, সেভাবেই স্ন্যাপচ্যাটেও এবার স্টোরেজ কিনতে হবে ইউজারদের। তবে বিনামূল্যে ফাইল যে একেবারেই সেভ রাখা যাবে না তা নয়। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্টোরেজ ৫ জিবি। এর বেশি হলেই অর্থের বিনিময়ে স্টোরেজ কিনতে হবে।
কীরকম খরচ পড়বে? এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, মোটামুটি তিনরকম স্টোরেজ কেনা যাবে। ১০০ জিবি, ২৫৬ জিবি এবং ৫ টিবি। এর মধ্যে ১০০ জিবির খরচ পড়বে ১.৯৯ ডলার প্রতি মাসে। ভারতীয় মুদ্রায় তা ১৬৫ টাকা। ২৫৬ জিবির জন্য খরচ পড়বে মাসিক ৩৩০ টাকা।
স্বাভাবিক ভাবেই এই সিদ্ধান্তে অখুশি ইউজারদের একটা বড় অংশ। বহু বছর ধরে তাঁদের নানা ছবি-ভিডিওর মেমোরি সেভ করা আছে স্ন্যাপচ্যাটে। কিন্তু এবার অর্থ খরচ না করলে সেই ব্যাকআপ আর থাকবে না। তবে এখনই তা বন্ধ হচ্ছে না। স্ন্যাপচ্যাটারদের ১২ মাসের অস্থায়ী স্টোরেজ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এরপর থেকে আপগ্রেড না করলে মেমোরি থেকে মুছে দেওয়া হবে সব ছবি-ভিডিও। পাশাপাশি ইউজারদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, এখনই সব ফাইল ডাউনলোড করে নেওয়ার জন্য।
২০১৯ সালে ভারতে আত্মপ্রকাশ করেছিল স্ন্যাপচ্যাট। হিন্দি, মারাঠি, গুজরাটি ও পাঞ্জাবি ভাষায় ব্যবহার করা যেত ছবির মাধ্যমে বার্তা আদান প্রদান করার মাল্টিমিডিয়া ভিত্তিক এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি। পরে বাংলা, কন্নড়, মালায়লম, তামিল ও তেলুগুর মতো ভাষাও যোগ করা হয়। তারপর থেকে গত কয়েক বছরে সেই জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছে স্ন্যাপচ্যাট। প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে কি মেমোরি স্টোরেজের জন্য অর্থ খরচের সিদ্ধান্তে সেই জনপ্রিয়তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। উত্তরটা সময়ের হাতে, বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ খবর
-
‘পাকিস্তানি হিন্দুদের সহ্য করি’, পাক প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘অসংবেদশীল’ কটাক্ষ জাভেদ আখতারের
-
সাভারকর মন্তব্যে রাহুলের বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ মামলা, গবেষককে জরিমানা করল আদালত
-
আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্যের পর এবার ডুরান্ডের যুদ্ধ, আর্মিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল
-
রাজসাক্ষী হতে চেয়েও রেহাই নেই! জয় কামদারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ
-
ইউটিউব শর্টসে সরল ‘ডিসলাইক’ চিহ্ন! মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কৌশল?