Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
mobile phone

এবার মোবাইল গ্রাহকদের জন্য ইউনিক কাস্টোমার আইডি কেন্দ্রের! তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন

ইউনিক কাস্টোমার আইডি হবে গ্রাহকের তথ্য ভাণ্ডার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৩, ১৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৩, ১৯:৩১

options
link
এবার মোবাইল গ্রাহকদের জন্য ইউনিক কাস্টোমার আইডি কেন্দ্রের! তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধার কার্ডের মতো এবার দেশের মোবাইল গ্রাহকদেরও একটি ইউনিক কাস্টোমার আইডি (unique customer ID) নম্বরের আওতায় আনতে চলেছে কেন্দ্র! ওই আইডি-তে যুক্ত হবে গ্রাহকের ফোন নম্বর এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য। একজন নাগরিকের কতগুলো ফোন নম্বর তথা সিমকার্ড ব্যবহার করছেন, তা কার নামে রয়েছে ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য সংগৃহীত হবে ইউনিক কাস্টোমার আইডি-তে৷ প্রয়োজনে যা সরকার বা প্রশাসন যাচাই করতে পারবে। কেন্দ্রের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের দাবি, বাড়ন্ত সাইবার প্রতারণা রুখতে কাজে আসবে ইউনিক কাস্টোমার আইডি। যদিও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে ফের তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ইউনিক কাস্টোমার আইডি নম্বরের সঙ্গে মিল রয়েছে ১৪-সংখ্যার আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল স্বাস্থ্য অ্যাকাউন্টের। উল্লেখ্য, ABHA নম্বরে রোগীর স্বাস্থ্যের সমস্ত রেকর্ড থাকে। চিকিৎসক চাইলেই ABHA নম্বরের মাধ্যমে ওই ব্যক্তির সমস্ত রেকর্ড সহজে জানতে পারেন। কতকটা সেভাবেই কাজ করবে ইউনিক কাস্টোমার আইডি। কেন্দ্রের দাবি, ইউনিক কাস্টোমার আইডি নম্বরের মাধ্যমে সহজেই ট্র্যাক করা যাবে ওই মোবাইল নম্বরটিকে। এর ফলে শায়েস্তা করা যাবে সাইবার প্রতারকদের। পাশাপাশি গ্রাহকের সমস্ত তথ্য হাতের নাগালে থাকায় অপরাধপ্রবণতা, জঙ্গি তৎপরতা নিম্নমুখী হবে। আইডি নম্বরের সাহায্যে সরকার জাল সিম কার্ড এবং অতিরিক্ত বরাদ্দকৃত সিম কার্ড বাতিল করতে পারবে।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: ভোট ভুলে বিষ গ্যাসেই ডুবে ভোপাল! আজও সুস্থ শিশুর জন্ম বিরল]

একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামীতে নতুন সিম কার্ড নিতে গেলেই সরকারের তরফে দেওয়া হবে এই ইউনিক আইডি। যেখানে গ্রাহকের ফোন নম্বর, আয়, বয়স, শিক্ষা-সহ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজনে যা কাজে লাগাবে সরকার এবং প্রশাসন। ঠিক এখানেই গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘনের গন্ধ পাচ্ছেন অনেকে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, এর ফলে তথ্য পাচারের ভয় নেই তো? মোদি সরকারের ‘নজরদারি’ নিয়েও শুরু হয়েছে গুঞ্জন। 

[আরও পড়ুন: এলাহাবাদ, ফৈজাবাদের পর এবার আলিগড়! যোগীরাজ্যে তুঙ্গে নাম বদলের রাজনীতি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.