BREAKING NEWS

১৭ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৩১ মে ২০২০ 

Advertisement

এবার আলিপুর চিড়িয়াখানা ও বেঙ্গল সাফারি পার্কে মিলবে ‘ভারচুয়াল রিয়ালিটি’র মজা

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: June 5, 2019 7:29 pm|    Updated: June 5, 2019 7:29 pm

An Images

শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: হলোগ্রাফিক অ্যানিমেশন এবার শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্ক ও কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। দেশে প্রথম অভিনব উদ্যোগ বনদপ্তর ও রাজ্য জু অথরিটির। এতদিন সেলুলয়েডের পর্দায় হলিউডের ছবিতে কিংবা ভিডিও গেমে দেখা মিলেছে হলোগ্রাফি অ্যানিমেশনের। জুরাসিক পার্ক ছবিতে ডাইনোসররা জীবন্ত হয়েছিল একই কৌশলে। পরে জাপান, চিন ও দুবাইয়ের চিড়িয়াখানায় ওই জাদুতে দর্শকদের মন জয়ের আয়োজন হয়। এবার সেটাই দেখা যাবে রাজ্যের সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানায়। ইতিমধ্যে টেন্ডার ডেকে প্রকল্পটি রূপায়ণের প্রস্তুতিও চূড়ান্ত।

জু অথরিটির সদস্য সচিব বিনোদ যাদব বলেন, “আলিপুর চিড়িয়াখানা ও বেঙ্গল সাফারি পার্কে দুটি হলোগ্রামের মাধ্যমে ভারচুয়াল অ্যানিম্যাল পার্ক তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেখানেই বেশি পর্যটকদের ঢল নামে। হলোগ্রাম বসাতে টেন্ডার ডাকা হয়েছে। জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হলোগ্রামের মাধ্যমে চিড়িয়াখানার বিশেষত্ব এবং চিড়িয়াখানায় থাকা একাধিক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য ‘ভারচুয়াল অ্যানিম্যাল পার্কে’ তুলে ধরা হবে। খবর চাউর হতে পর্যটকমহলে কৌতুহল জেগেছে। রাজ্য বনদপ্তর জু অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজটি করবে। প্রথম পর্যায়ে প্রায় আড়াই কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে বনদপ্তর। সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থারও।

কী চমক থাকছে হলোগ্রাফিক অ্যানিমেশনে? সাফারি পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, হলোগ্রাফিক অ্যানিমেশনে অন্তত পাঁচটি প্রাণী থাকবে। দু’মিনিটের সিনেমা তৈরি হবে। যে সংস্থা হলোগ্রামটি বসাবে তাঁকে ইনস্টলেশনের পাশাপাশি ওই বিভাগের কর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং এক বছরের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে হবে। হলোগ্রাম রাজ্যের চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের দু’জায়গায় স্থায়ীভাবে বসানো হবে। সেখানে অ্যানিমেশনের মাধ্যমে প্রাণীদের সুপারইম্পোজ করে দেখানো হবে। হলোগ্রামের নির্দিষ্ট জায়গায় দর্শকরা দাঁড়ালে তাঁদের চারপাশে ওই ভারচুয়াল পার্কের দেখা মিলবে। পাখির কলরব, পাঁচটি বন্যপ্রাণ-সহ বন্য পরিবেশের আমেজ ভারচুয়াল পার্কে উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। এজন্য ২১৬ বর্গফুটের দেওয়ালের মধ্যে ৯ ফুট লম্বা ও ১৬ ফুট চওড়া মাপের একটি এলইডি স্ক্রিন বসানো হবে। স্ক্রিন থেকে অন্তত ২০ ফুট দূর থেকে ভারচুয়াল পার্ক দেখা যাবে। সব মিলিয়ে ৪ হাজার ৮০০ বর্গফুট জায়গার প্রয়োজন হবে। বেঙ্গল সাফারি পার্কের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, মূলত পর্যটক টানতে হলোগ্রাফিক অ্যানিমেশনের উদ্যোগ। এটা হলে দর্শকদের একঘেয়েমিও কাটবে। বড় স্ক্রিন ও সাত ডাইমেনশনাল হলোগ্রাফিক প্রযুক্তির ব্যবহারে অনেকেই বাড়তি আনন্দ উপভোগের সুযোগ পাবেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement