Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

কেন কথায় কথায় রেগে যান মেয়েরা?

নেপথ্যে থাকতে পারে কোনও দৈনন্দিন অভ্যাস যা ঠেলে দিচ্ছে এই দিকে৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১২:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১২:৪৮

options
link
কেন কথায় কথায় রেগে যান মেয়েরা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি যদি মেয়ে হন, তাহলে নিশ্চয় একবার অন্তত শুনেছেন- ‘মেয়েরা কথায় কথায় রেগে যায়’! হয়তো প্রেমিক, বন্ধু বা আত্মীয় অনেকেই আপনার ‘মুড সুইং’-এর ফলে রোষের শিকার হয়েছেন৷ আর যদি মেয়ে না হন? তবে কোনও বান্ধবীকে বলে থাকতেই পারেন এমন কথা! এটা এমন কিছু আশ্চর্য ব্যাপার নয়! অনেক ছেলেই মেয়েদের মেজাজ নিয়ে এমনটা বলে থাকেন!

কিন্তু জানেন কি, এই ‘মুড সুইং’ কেন হয়? না চাইলেও মেয়েরা কেন মাঝেমধ্যেই রেগে যান?

Advertisement

সত্যি কী, মেয়েরা নিজেরাও জানেন না, তাঁদের এই অকারণে রেগে যাওয়ার অন্তরালে থাকতে পারে নানান শারীরিক জটিলতা! কিংবা নেপথ্যে থাকতে পারে কোনও দৈনন্দিন অভ্যাস যা ঠেলে দিচ্ছে এই দিকে৷

প্রথমেই ধরা যাক ঋতুচক্র৷ এই সময় মেয়েদের মেজাজ একটু খিটখিটে থাকে। তাই নিয়ে ঠাট্টাও চলে বন্ধুদের মধ্যে৷ কিন্তু কেন এই সময় এরকম হয়? আসলে ঋতুচক্র শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ আগেই প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যায় এবং হঠাৎ করেই তা নেমেও যায়৷ যার ফলে খামখেয়ালী হয়ে ওঠেন মহিলারা৷

আপনি কি কফির প্রেমে পাগল? নিয়মিত দিনে বেশ কয়েক কাপ কফি না হলে যদি আপনার সমস্যা হয়, তাহলে বুঝবেন কফি এখন আপনার আসক্তি৷ কিন্তু এই আসক্তি আপনার মুড সুইং-এর কারণ হতে পারে- ভেবে দেখেছেন কখনও? অতিরিক্ত ক্যাফাইন সেবনের ফলে আপনার স্বভাব খিটখিটে হতেই পারে! এমনকী আপনি প্রায়ই মাথাব্যথারও শিকার হতে পারেন৷

বেশিক্ষণ না খেয়ে থাকলেও আপনি অকারণে রেগে যেতে পারেন৷ কাজ করার জন্য মানুষের মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্লুকোজ প্রয়োজনীয়৷ দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকলে সেই মাত্রা কমে যায়৷ ফলে অকারণেই খিটখিটে হয়ে উঠতে পারেন আপনি৷ তাই অল্প অল্প করে সবসময় কিছু না কিছু খেতে থাকুন, এতে মন আর মেজাজ দুটোই ভাল থাকবে৷ কিন্তু তাই বলে জাঙ্ক ফুড খাবেন না৷ কারণ জাঙ্ক ফুড মস্তিষ্কের কোষগুলিকে একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, যার থেকে মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ এমনকী বিশেষজ্ঞমহল বলছে, চর্বিযুক্ত খাবার বিষণ্ণতা বোধ জাগিয়ে তোলে৷

এছাড়া থাইরয়েড চেক আপ করানোও বাধ্যতামূলক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ আসলে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, তার উপর নির্ভর করে নানান রাসায়নিক রূপান্তর৷ হাইপোথাইরয়েডিজম নামক একটি ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে এই হরমোন কমে যায়৷ এর কারণেও অকারণে রেগে যাওয়া বা মুড সুইং হতে পারে আপনার৷

আপনি যদি নিজে মুড সুইং-এর শিকার হন বা আপনার প্রিয়জন যদি অকারণে রেগে যান তবে এবার একটু ভাবুন! হয় নিজে ডাক্তারের কাছে যান! নয় তো প্রিয় মানুষটিকে সাহায্য করুন মেজাজ ঠিক রাখতে! দরকারে তাঁর জন্য ডাক্তারেরও পরামর্শ নিন৷

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.