১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কমিস কলের জমানা কবেই শেষ৷ এখন সময় শর্ট মেসেজ সার্ভিস অর্থাৎ এসএমএস-এর যুগ৷ টেক্স মেসেজ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ভাইব সবেতেই পারদর্শী জেন ওয়াই৷ ফোনে কথা বলার চেয়ে ছোট্ট করে একটা মেসেজ ছেড়ে দেওয়াই বেশি প্রেফার করেন সবাই৷ কিন্তু, এই ছোট্ট একটুখানি মেসেজই আজকের প্রজন্মের জীবনে নিয়ে আসছে বড় বিপত্তি৷

এসএমএস-এর দৌলতে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বাড়ছে রাগ, অনিদ্রা, অকারণ চিন্তা৷ এর প্রভাব পড়ছে তাঁদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন ব্যবহারেও৷ অনেকে মানসিক অবসাদেও ভুগছেন৷ সম্প্রতি ইন্দৌরে ১৫০ জন তরুণ-তরুণীদের উপর পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল কলেজের গবেষকরা৷ প্রত্যেকের মধ্যেই প্রায় একই রকম প্রভাব লক্ষ করা গিয়েছে৷

১৫০ জনের মধ্যে ১২৯ জনই এসএমএস-এর জন্য কম রেটের রিচার্জ প্ল্যান ব্যবহার করেন৷ এর মধ্যে ৯৩ শতাংশ তরুণ-তরুণীই মেসেজ-এর উত্তর না পেয়ে অবসাদে ভোগেন৷ ৩২ শতাংশ ভোগেন একাকিত্বে৷ ৪৫ শতাংশ পুরুষ ও ৪০ শতাংশ মহিলা স্বীকার করেছেন, এসএমএস-এর টেনশনে তাঁরা রাতে ঘুমোতে পারেন না৷ এমনকি ৬০ শতাংশ পড়ুয়া মনে স্বীকার করেছেন এসএমএস-এর অভ্যাস প্রভাব ফেলছে তাঁদের পড়াশোনাতেও৷ আজকের প্রজন্মের এই সমস্যাকে ‘টেক্সটাফ্রেনিয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং