সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মিস কলের জমানা কবেই শেষ৷ এখন সময় শর্ট মেসেজ সার্ভিস অর্থাৎ এসএমএস-এর যুগ৷ টেক্স মেসেজ থেকে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার, ভাইব সবেতেই পারদর্শী জেন ওয়াই৷ ফোনে কথা বলার চেয়ে ছোট্ট করে একটা মেসেজ ছেড়ে দেওয়াই বেশি প্রেফার করেন সবাই৷ কিন্তু, এই ছোট্ট একটুখানি মেসেজই আজকের প্রজন্মের জীবনে নিয়ে আসছে বড় বিপত্তি৷
এসএমএস-এর দৌলতে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বাড়ছে রাগ, অনিদ্রা, অকারণ চিন্তা৷ এর প্রভাব পড়ছে তাঁদের পড়াশোনা এবং দৈনন্দিন ব্যবহারেও৷ অনেকে মানসিক অবসাদেও ভুগছেন৷ সম্প্রতি ইন্দৌরে ১৫০ জন তরুণ-তরুণীদের উপর পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল কলেজের গবেষকরা৷ প্রত্যেকের মধ্যেই প্রায় একই রকম প্রভাব লক্ষ করা গিয়েছে৷
১৫০ জনের মধ্যে ১২৯ জনই এসএমএস-এর জন্য কম রেটের রিচার্জ প্ল্যান ব্যবহার করেন৷ এর মধ্যে ৯৩ শতাংশ তরুণ-তরুণীই মেসেজ-এর উত্তর না পেয়ে অবসাদে ভোগেন৷ ৩২ শতাংশ ভোগেন একাকিত্বে৷ ৪৫ শতাংশ পুরুষ ও ৪০ শতাংশ মহিলা স্বীকার করেছেন, এসএমএস-এর টেনশনে তাঁরা রাতে ঘুমোতে পারেন না৷ এমনকি ৬০ শতাংশ পড়ুয়া মনে স্বীকার করেছেন এসএমএস-এর অভ্যাস প্রভাব ফেলছে তাঁদের পড়াশোনাতেও৷ আজকের প্রজন্মের এই সমস্যাকে ‘টেক্সটাফ্রেনিয়া’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার